কলকাতা: এবার জানুয়ারি মাসের একটি দিন পালিত হবে শহিদের শ্রদ্ধার উদ্দেশ্যে। ৩০ জানুয়ারি দিনটিকে শহিদদের স্মরণে পালন করা হবে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। এদিন ২ মিনিটের জন্য বন্ধ সমস্ত কাজ বন্ধ করে নীরবতা পালন করতে হবে। এই মর্মে সমস্ত রাজ্যের কাছে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ওই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি দিনটি ‘শহিদ দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। সেই উপলক্ষে ওইদিন সকাল ১০টা ৫৯ থেকে ১১টা পর্যন্ত ১ মিনিট পর্যন্ত দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বাজাবে সাইরেন। ১১টা থেকে ২ মিনিট নীরবতা পালন করতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে যেখানেই থাকুক, সাইরেন শুনতে পেলেই সমস্ত কাজ ফেলে উঠে দাঁড়াতে হবে। তারপর ২ মিনিট হবে নীরবতা পালন। নীরবতা পালনের পর ফের বাজবে সাইরেন।

তবে যে সব জায়গায় সাইরেন বাজানোর সম্ভব নয় বা সাইরেন বাজানোর মতো পরিকাঠামো নেই সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সক্রিয় হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে ২ মিনিট নীরবতা পালন যে অবশ্যই হয়, তা দেখবে স্থানীয় প্রশাসন। এই নিয়ে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে নেতাজির জন্মদিনে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে নেতাজিকে নিয়ে নতুন গ্যালারির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী৷ ওই গ্যালারিতে নেতাজির ১২৫টি ছবি থাকবে। এছাড়া ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবীদের নিয়ে আরও একটি গ্যালারির উদ্বোধন করবেন তিনি৷ এবং ওই দিনই (২৩ জানুয়ারি) ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে নেতাজি শীর্ষক একটি আলোচনাসভায় পৌরহিত্য করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এবার থেকে নেতাজির জন্মদিন ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে উদযাপিত হবে৷

এর আগেও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনকে জাতীয় ‘দেশপ্রেম দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি করেছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। টুইটে সুজন চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘‘শুধু জাতীয় ছুটি নয়। নেতাজির জন্মদিনকে জাতীয় ‘দেশপ্রেম দিবস’ ঘোষণা ও পালন করা জরুরি।’’ এরই পাশাপাশি সুভাষচন্দ্র বসু সম্পর্কিত নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন সুজন।

নেতাজির জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবেও এব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের তথ্য সামনে আনার দাবিও চিঠিতে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।