বাসুদেব ঘোষ, সিউড়ি: বিশ্বভারতীর শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে কলা ভবনে৷ বৃহস্পতিবার থেকেই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। শুক্রবার সন্ধ্যায় কলা ভবনে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশ্ব ভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী৷

শনিবার নন্দন মেলার সূচনা হবে৷ শুক্রবার বিকেলে কলাভবনের ছাত্রছাত্রীরা তাদের হাতের তৈরি বিভিন্ন রকম শিল্পকর্ম নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। পড়ুয়াদের পাশাপাশি ভবনের অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলাভবনের প্রাক্তনেরাও।

কলা ভবনের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ব ভারতী কর্তৃপক্ষ৷ গোটা কলা ভবন চত্বর জুড়ে মাটির প্রদীপ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে৷ গোটা চত্বর জুড়েই কলা ভবনের ছাত্র ছাত্রীদের হাতের তৈরি জিনিস দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে৷ রয়েছে রবীন্দ্র নৃত্য, রবীন্দ্র নাটিকা, রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিভিন্ন অনুষ্ঠান৷ এছাড়াও বিভিন্ন স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের প্রদর্শনীর ও আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ব ভারতীর নন্দন আর্ট গ্যালারিতে।

কলা ভবন ও সঙ্গীত ভবনের শতবর্ষ উপলক্ষে শিল্পী যোগেন চৌধুরী ও সনৎ কর এসেছেন বিশ্ব ভারতীতে। শুক্রবার সকালে তারা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন৷ কলা ভবনের শতবর্ষের অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়েছে৷ ১ ডিসেম্বর এবং ২ ডিসেম্বর চিরাচরিত ভাবেই নন্দন মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

১৯৭৩ সালের ১ ডিসেম্বর এই মেলার সূচনা হয়। মাঝে দু’বছর বন্ধ ছিল এই মেলা। একবার বন্যার ও আর একবার নকশাল আন্দোলনের কারণে। এরপর থেকে প্রতি বছরই কলাভবন চত্বরে নন্দন মেলা হয়ে আসছে। নন্দন মেলায় পড়ুয়ারা নিজের হাতের তৈরি জিনিস বিক্রি করা হয়৷ যা আয় হয় তার সবটাই ফান্ডে জমা থাকে। পড়ুয়াদের প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এই টাকা ব্যবহার করা হয়।