কলকাতা: জীবনের লড়াইয়ে হেরে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা গৌতম দে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন৷ যার কারণে মাঝে মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন প্রবীন এই অভিনেতা।

গৌতমবাবুর প্রয়াণে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে সিনে জগতে। অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে দুপুর দেড়টা নাগাদ ওনার মরদেহ নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানেই অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগী।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী৷ পাওলি দাম থেকে শুরু করে কোনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকেই দুঃখপ্রকাশ করেছেন৷

পাওলি লিখেছেন, “চমকে গিয়েছিলাম ঘটনাটা শুনে৷ কতগুলো প্রজেক্টে ওনার সঙ্গে কাজ করেছি৷ যেন মনে হচ্ছে দিন কতক আগেই ওনার সঙ্গে ‘মাটি’ ছবির শ্যুটিং করছিলাম৷ সবসময়ে মুখে হাসি ছিল ওনার একটা৷”

কোনীনিকা, টেলিভিশন অভিনেত্রী মধুমিতা চক্রবর্তী, টেলি-অভিনেতা রাহুল দেব বোস, সৈকত দাস সহ অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে গৌতম দের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা লিখে শোকজ্ঞ্যাপন করেছেন৷

জানা গিয়েছে, কয়েক বছর ধরেই ক্যান্সারের চিকিৎসা চলছিল প্রবীন এই অভিনেতার। সেই অবস্থাতেই শ্যুটিং চালিয়ে জাচ্ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বাংলা থিয়েটারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন অভিনেতা৷

এছাড়াও বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে৷ এর পাশাপাশি এই মুহূর্তে ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’, ‘হৃদয়হরণ বিএ পাস’ সহ একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করছিলেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.