করাচি: করোনা মহামারীর মাঝেই এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে পাকিস্তানে। শুক্রবার ভর দুপুরে একটি বিমান ভেঙে পড়ে। ৯৮ জন যাত্রীকে নিবে ভেঙে পড়ে বিমানটি। তবে এই দুর্ঘটনার আরও একটা দুর্ভাগ্যজনক দিক হল, বিমানটি ভেঙে পড়ে লোকালয়ের মাঝে।

চারপাশে বাড়ি-ঘর। তার মাঝেই ভেঙে পড়ে ওই বিমান। মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। এখনও পর্যন্ত ৫৭ জনের মৃত্যুর খবর দিচ্ছে পাক সংবাদমাধ্যমগুলি। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শুধু যাত্রীই নয়, লোকালয়ের মাঝে ভেঙে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মৃত্যু হয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে সেই দুর্ঘটনার সময়কার একটি সিসিটিভি ফুটেজ। আর তাতে দেখা যাচ্ছে ঘর-বাড়ির মাঝেই আকাশ থেকে সোজা নেমে আসছে বিমানটি।ম তারপরই শুধু কালো ধোঁয়া উঠছে।

পাক সংবাদমাধ্যম ‘ডন নিউ’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫৭ বলে জানা যাচ্ছে। শাকিল আহমেদ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে ওই বিমান প্রথমে মোবাইল টাওয়ারে ধাক্কা মারে, তারপর বাড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

সিন্ধ প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর জানান, দু’জনকে জীবিত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একজনের নাম জুবের ও অপরজন হলেন জাফর মাসুদ যিনি পাকিস্তানের ব্যাংক অফ পঞ্জাবের প্রেসিডেন্ট।

পাকিস্তানের জিন্না ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে ভেঙে পড়েছে করাচিগামী ওই বিমান। সেই বিমানে যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে অন্তত ১০০ জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। লাহোর থেকে করাচির দিকে যাচ্ছিল বিমানটি। অবতরণের ঠিক আগেই ভেঙে পড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।