নয়াদিল্লি: ভারতে করোনা ভাইরাসের অতিমারির কারণে ছাত্রদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। অনেক রাজ্য ২০২০ সালের শেষে করোনা পরিস্থিতি খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আসার জন্য অল্প ছাত্রের উপস্থিতিতে স্কুল চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় স্কুলের গেটে ফের একবার তালা ঝোলাতে হয়েছে। রাজ্যের বোর্ডের পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির জন্য বন্ধ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বোর্ড অর্থাৎ সিবিএসই পঠন-পাঠন ব্যবস্থাও। এমনকি একাধিক ছাত্র এবং অভিভাবকদের বোর্ড পরীক্ষা বাতিলের চিঠি পেয়ে চলতি বছরে নির্দিষ্ট্য সময়ে বোর্ড পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে।

কোভিড পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের পঠন-পাঠন বন্ধ থাকলেও এই সময়ে তাদের মানসিকভাবে সুস্থ্যতার জন্য সিবিএসই একটি নতুন অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এই নতুন অ্যাপ্লিকেশনের নাম দিয়েছে “দোস্ত ফর লাইফ”। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য মূলত এই অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যা ১০ মে থেকে কাউন্সিলিং সেশনের জন্য ব্যবহার করা শুরু হতে পারে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপ মিলবে সমস্ত শিক্ষার্থীদের। এর পাশাপাশি বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে থেকে সিবিএসই-অনুমোদিত স্কুলগুলি পড়ুয়া এবং অভিভাবকেরা এটি ব্যবহার করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন অ্যাপ্লিকেশনটিতে থাকবে কাউন্সেলিং সেশন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, দ্বাদশ শ্রেণীর পরামর্শমূলক কোর্সের গাইড, মানসিক সুস্বাস্থ্যের বিষয়ে টিপস, কোভিড-১৯ সম্পর্কিত প্রোটোকল এবং অডিও-ভিজ্যুয়াল বার্তাগুলির মতো বৈশিষ্ট্য।

কাউন্সেলিং সেশনগুলি শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবক উভয় থাকতে পারে। সোমবার, বুধবার এবং শুক্রবার সপ্তাহের এই তিনদিন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কাউন্সেলর এবং অধ্যক্ষগণ দ্বারা বিনামূল্যে লাইভ কাউন্সিলিং সেশন মিলবে। চলতিও বছরে মোট ২৩ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬৬ জন ভারতীয়। অন্যন্য দেশ যেমন সৌদি আরব, ইউএই, নেপাল, ওমান, কুয়েত, জাপান এবং ইউএসএ থেকে রয়েছেন ১৭ জন স্বেচ্ছাসেবক।

লাইভ কাউন্সিলিং সেশনগুলি দুটি সময়ে রাখা হয়েছে। সকাল ৯.৩০ থেকে দুপুর ১.৩০ এবং দুপুর ১.৩০ থেকে বিকেল ৫.৩০ এর মধ্যে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকেরা নিজেদের সুবিধামতো স্লটটি বেঁছে নিতে পারেন। কথা বার্তা বলার জন্য একটি চ্যাট বক্স থাকবে, যেখানে নানা প্রশ্ন এবং কথা বলা যাবে। আগামী দিনে সিবিএসই চালু করা “দোস্ত ফর লাইফ” অ্যাপ্লিকেশনে সামাজিক, মানসিক এবং আচরণগত শিক্ষার বিষয় হিসেবে যুক্ত করা হতে পারে পরীক্ষার উদ্বেগ, ইন্টারনেট আসক্তির ব্যাধি, হতাশা, নির্দিষ্ট শিক্ষার অসম্পূর্ণতার মতো আরও নানা বিষয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.