নয়াদিল্লি: দীর্ঘ একবছের পরও নিশ্চিহ্ন হয়নি কোভিড। বরং সাম্প্রতিককালে প্রত্যেকদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবারে পাওয়া সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী শেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১,১৫,৭৩৬ জন কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন, যা ভারতে করোনাকালে সর্বোচ্চ। চিকিৎসকরা একে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ হিসেবে বর্ণনা করছেন। ভারতে টিকাকরনের প্রক্রিয়া শুরু হলেও পঁয়তাল্লিশ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের জন্যই সীমাবদ্ধ। এই অবস্থায় পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানালো সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ডের ছাত্রছাত্রীরা। একই দাবি জানিয়েছেন বা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং বোর্ডের পরীক্ষার্থীরাও।

বিগত ২৪ ঘণ্টায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। Change.org নামক জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে ৫৫০ টিরও বেশি পিটিশন জমা পড়েছে, যেখানে প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ দাবির প্রতি নিজেদের সমর্থন জানিয়ে সই করেছেন। টুইটারে প্রায় সাত লক্ষ মানুষ “cancelboardexam2021” হ্যাশট্যাগ দিয়ে টুইট করেছেন যা ইতিমধ্যেই ট্রেন্ডিং।

ক্লাস ১০ ও ১২ এর সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ড পরীক্ষা আগামী ৪ মে ২০২১ থেকে শুরু হওয়ার কথা। পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলি এখনও অনড়। সিবিএসইর পক্ষ থেকে একজন আধিকারিক জানিয়েছেন যে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ৪০-৫০ শতাংশ পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে, এছাড়াও পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে করোনা কালে সুরক্ষিত থাকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইসিএসই র পক্ষ থেকে যেটা জানা যাচ্ছে যে পরীক্ষা সূচি বদলানোর কোনো সম্ভাবনাই নেই।
এখন এই পরিবর্ত পরিস্থিতিতে সিবিএসই, আইসিএসই ও এনআইওএস এর মতো পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ নেবে সেটাই দেখার। উল্লেখ্য ২০২০ সালে পরীক্ষা চলাকালীন করোনার বাড়বাড়ন্তে মাঝ পথেই পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে হয়। সেই বছর ছাত্রছাত্রীদের গড়ে নম্বর দিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতি সমাপ্ত করে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলি। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ একই পদ্ধতি অবলম্বন করে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে এর ফলে প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন হয়না, শিক্ষার মান নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।