নয়াদিল্লি : দেশজুড়ে করোনা(Coronavirus) পরিস্থিতি ভয়াবহ। মারণ ব্যাধির দাপটে অব্যাহত মৃত্যু মিছিল। এই অবস্থায় সিবিএসই (CBSE) এর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিলের জন্যও দাবি উঠেছে। কিন্তু পরীক্ষা বাতিল হবে কি না সেই বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি সরকার। আপাতত স্থগিত রয়েছে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা।

এই অবস্থা পরীক্ষা আদৌ বাতিল করা হবে কি না তা নিয়ে আজ সোমবার রাজ্যগুলির শিক্ষা সচিবদের সঙ্গে সকাল ১১ টায় একটি ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক ( Education Minister Ramesh Pokhriyal Nishank)।

রবিবার এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল টুইট করে জানিয়েছেন যে, দেশের সামগ্রীক করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবারের বৈঠকে মূলত করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইন পঠন পাঠন নিয়ে আলোচনা এবং নতুন শিক্ষানীতির কাজ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এর আগেও দেশ তথা রাজধানীর(Delhi) করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে গত ১৪ এপ্রিল সিবিএসই বোর্ডের (Board Exam)দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়। সেই সময় একসঙ্গে স্থগিত করে দেওয়া হয় দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা।

প্রসঙ্গত, আগামী ৪ মে থেকে থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল সিবিএসই (CBSE) এর দশম ও দ্বাদশের বোর্ডের পরীক্ষা। দশম শ্রেণীর পরীক্ষা ৭ জুন পর্যন্ত। দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। দুটি শিফটে ভাগ করা হয়েছিল দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা। প্রথমটি সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফট দুপুর ২টো ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে তারিখ বদলালেও পরবর্তীতে কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে কিছু জানা যায়নি।

শিক্ষা মন্ত্রক ও সিবিএসই পরীক্ষা বাতিল করা নিয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে, কিন্তু অন্য আরেক আধিকারিকের মতে এই অনিশ্চয়তার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব প্রধান চিন্তার কারণ। পরীক্ষার্থীদের একটি গোটা শিক্ষা বর্ষ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাবিদরা আগেই এই সম্ভাবনার কথা ভেবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। কারণ এই সিদ্ধান্তের ওপর ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই তাদের মতে বিকল্প পরিকল্পনা অবশ্যই প্রয়োজনীয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.