নয়াদিল্লি: দুর্নীতি ইস্যুতে ফের কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। মঙ্গলবার ১৯টি রাজ্যে ফের অভিযান চালানো হয়৷  ১১০ টি জায়গা মিলিয়ে মোট ৩০টি এফআইআর দায়ের করেছে তারা। আর্থিক দুর্নীতি ছাড়াও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অস্ত্র চোরাচালান এবং অন্যন্য বিষয়ে ৩০টি স্বতঃস্ফূর্ত মামলা রুজু করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে।

গত ২ জুলাই দেশ জুড়ে ১২টি রাজ্যের ৫০টি শহরের ৫০টি এলাকায় এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। ফের এই সপ্তাহে আজ অভিযান চালালো তারা। এদিন দেশের ১৯টি রাজ্যের ১১০টি জায়গা সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও অভিযান চালিয়েছে তারা। আর্থিক দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অস্ত্র চোরাচালান এবং অন্যন্য বিষয়ে মিলিয়ে মোট ৩০টি এফআইআর দায়ের করেছে তারা। ক্রমাগত বেড়ে চলা ব্যাংক জালিয়াতি ঠেকাতে এই অভিযান চালায় তারা বলে জানা গিয়েছে।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দিল্লি, মুম্বই, লুধিয়ানা, থানে, ভালসাদ, পুনে, পালানি, গয়া, গুরগাও, চণ্ডীগড়, ভোপাল, সুরাট, কোলার ছাড়াও আরও বিভিন্ন শহরে এদিন অভিযান চালায় সিবিআই। তদন্তে নেমে দেখা গিয়েছে, ১৬ টি কেসে এ নিয়ে ১১০০ কোটি মূল্যের আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে। এদিন নতুন করে বিভিন্ন সংস্থা, ফার্ম, প্রোমোটার, ডিরেকটার, ব্যাংক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নতুন করে ৩০টি মামলা রুজু হয়েছে।

সূত্র বলছে, সরকারের মূল উদ্দেশ্য হল নির্বাচনের সময় নীরব মোদী-মেহুল চোক্সির ১৩ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক প্রতারণা মামলায় আলোকপাত করা। এই পদক্ষেপটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীরর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কর্মকাণ্ড বলা যায়। সিবিআই প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “দেশ জুড়ে নেওয়া পদক্ষেপে সিবিআই

আজ ১৯টি রাজ্যের ১১০টি জায়গায় এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অভিযান চালিয়েছে। আর্থিক দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অস্ত্র চোরাচালান এবং অন্যন্য বিষয়ে ৩০টি স্বতঃস্ফূর্ত মামলা রুজু করেছে। এই সপ্তাহে সিবিআইয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল এটি। গত মঙ্গলবার অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। ১১৩৯ কোটি টাকা পরিমাণ ব্যাংক প্রতারণা মামলায় ১৩টি সংস্থার আধিকারিকদের জেরা করা হয়েছে।”