কলকাতা: আইপিএস রাজীব কুমারের পার্ক স্ট্রিটের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন সিবিআই আধিকারিকরা। শুক্রবার দুপুরেই সেখানে গিয়েছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার চার আধিকারিক তাঁর বাড়িতে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছ।

শুধুমাত্র পার্ক স্ট্রিটেই নয়, সিবিআইয়ের একটি টিম গিয়েছে ইবজা রিসর্টেও। দক্ষিণ ২৪ পরগণার ইবিজা রিসর্টে খোঁজ চলছে রাজীব কুমারের। সেখানে গেস্ট লিস্ট ঘেঁটে দেখা হচ্ছে রাজীব কুমার নামে কোনও অতিথি এসেছেন কিনা। এছাড়া একটি টিম রায়চকে পৌঁছে গিয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। মোট ৬টি জায়গায় একসঙ্গে চলছে তল্লাশি।

কলকাতায় পার্ক স্ট্রিটের বাড়ি ছাড়াও শান্তিনিকেতন বিল্ডিং এবং সিদ্ধা অ্যাপার্টেমেন্টেও চলছে তল্লাশি। রাজীব কুমারের ফোন সুইচ অফ করা আছে। তাঁর টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবারই তাঁকে গ্রেফতার করার করার নির্দেশ দেয় আদালত। আলিপুর আদালতের সেই রায়ের ফলে চরম অস্বস্তিতে পড়েন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নির্দেশ পাওয়ার পরেই কার্যত উঠে পড়ে লেগেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করতে দফায় দফায় নিজেদের মধ্যে বৈঠক সারছেন আধিকারিকরা।

উল্লেখ্যম বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরেই আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন রাজীব কুমার। আইনজীবী মারফৎ সরকারি রক্ষাকবচের আর্জি জানান রাজীব কুমার। তাঁকে গ্রেফতার করতে গেলে, একজন সরকারি কর্মী হিসেবে, রাজ্যের অনুমতি প্রয়োজন। এই মর্মে আদালতের কাছে আর্জি জানান রাজীব কুমারের আইনজীবীরা। যার পালটা সওয়াল করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

কলকাতা হাইকোর্ট রক্ষাকবজ তুলে নেওয়ার পর থেকেই বেপাত্তা এই পুলিশকর্তা৷ পার্ক স্ট্রিটে রাজীবের বাসভবনে গিয়ে তল্লাসি চালাতে থাকেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা৷ বাদ দেওয়া হয়নি রান্নাঘরও৷ বাসভবনে নোটিশ ঝুলিয়ে আসে সিবিআই৷ সেই নোটিশে বলা হয়, অবিলম্বে সিবিআইয়ের সঙ্গে দেখা করতে হবে৷ রাজীবকে ঘরতে কলকাতায় দিল্লি থেকে বিশেষ দলও এসে পৌঁছে গিয়েছে৷