নয়াদিল্লি: সিবিআই বিশেষ আদালতে বুধবার বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় ঘোষণা হবে। দশকের পর দশক ধরে চলা বাবরি মামলায় অভিযুক্ত ৩২ জনকেই বুধবার আদালতে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন সিবিআই বিশষ আদালতের বিচারক এস কে যাদব।

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসে অভিযুক্ত বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশী-সহ মোট ৩২ জন। করসেবকদের মসজিদ ভাঙায় উস্কানি দেন আদবানি, যোশি, উমা ভারতীরা, এমনই অভিযোগ ওঠে।

এঁরা ছাড়াও বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা-মন্ত্রী বাবরি-ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত। প্রত্যেককেই বুধবার মামলার রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

গত ১ সেপ্টেম্বর বাবরি-ধ্বংস মামলার শুনানি শেষ হয়েছে সিবিআই বিশেষ আদালতে। বাবরি মামলায় ৩৫১ জনকে সাক্ষী হিসেবে তুলে ধরে সিবিআই। মসজিদ ধ্বংসে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত ৪৮ জনের মধ্যে ১৬ জনের ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে। সেই কারণেই বুধবার মামলার রায়দানে ৩২ জনকে আদালতে সশরীরে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

করসেবকদের নানাভাবে উসকানি দিয়ে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দীপ্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বংস করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আদবানী, যোশি, উমা ভারতী-সহ অন্যরা।

মূলত তাঁদের প্ররোচনাতেই সেদিন মসজিদে তাণ্ডব চালায় করসেবকরা, এমনই অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময়ে একাধিকবার বাবরি মসজিদ ধ্বংসে তাঁদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।