স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পুজো শেষ হতেই ফের তৎপর সিবিআই৷ নবান্নে গিয়ে অর্থ দফতরের ওএসডি কে নোটিস৷ চিঠি দেওয়া হল মুখ্যসচিবকেও৷

সূত্রের খবর,নবান্নে ফের সিবিআই৷ অর্থ দফতরের ওএসডি কে দেওয়া হল নোটিস৷ রোজভ্যালি মামলায় তাঁকে নোটিস দিল সিবিআই৷ ১৮ অক্টোবর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার নির্দেশ৷ পাশাপাশি মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ তাতে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রোজভ্যালি মামলার অনেক নথি এখনও পায়নি সিবিআই৷

এর আগেও নবান্নে পৌঁছে গিয়েছিল সিবিআই৷ এক মাস আগে রাজ্যের প্রশাসনিক দফতরে গিয়েছিলেন দু’জন সিবিআই আধিকারিক। প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের খোঁজ পেতে সেখানে তাঁরা গিয়েছিলেন৷ সেই সময় আদালত রাজীব কুমারের উপর থেকে রক্ষা কবচ তুলে নিয়েছিল৷ তারপরই সিবিআই ওই প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে নোটিস দিয়ে হাজিরার নির্দেশ দেয়৷ তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজীব কুমার মেলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি ছুটিতে আছেন৷ এক মাস সময় লাগবে সিবিআই দফতরে যাওয়ার জন্য।

প্রসঙ্গত, কোনও সরকারি কর্মচারি অগ্রিম ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ঊর্ধ্বতন কর্তাকে জানাতে হয় কী কারণে তিনি ছুটি নিচ্ছেন,ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরবর্তী অবস্থান কোথায় থাকবে এবং তার মোবাইল ফোন নাম্বার, প্রয়োজনে যাতে সেই কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজীব কুমার সেই তথ্যগুলো আদৌ জমা দিয়েছেন কিনা এবং তার অবস্থান সম্পর্কে তার ঊর্ধ্বতন কর্তাকে জানিয়েছেন কিনা, এই যাবতীয় তথ্য পেতে পর পর দু’দিন প্রশাসনিক ভবন নবান্নে পৌঁছে গিয়েছিল সিবিআই কর্তারা৷

প্রায় এক মাস অন্তরালে থাকার পর আগাম জামিনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পঞ্চমীর সকালে আলিপুর আদালতে যান তিনি। আগাম জামিনের ফলে আপাতত তাঁর গ্রেফতারির সম্ভাবনা রইল না। গত কয়েকদিন আগে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। সারদা রিয়ালিটি মামলায় আলিপুর আদালতে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.