নয়াদিল্লি: একের পর এক বাঘের মৃত্যু এবং হত্যার ঘটনায় এবার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করল সিবিআই। এই বিষয়ে বন দফতরের আধিকারিকরা যুক্ত রয়েছেন কিনা? এর পাশাপাশি এই মৃত্যুর কারণ কি তাও খতিয়ে দেখবে সিবিআই।

সূত্রের খবর, উত্তরাখণ্ডের এই ঘটনায় চোরাশিকারকারীরা জড়িত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে। সিবিআই বেশ কয়েকটি দল গঠন করেছে মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখার জন্য। আগামী তিন মাসের মধ্যেই তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থাটি গত পাঁচ বছরে জোসিমাঠ,রাজাজি ন্যাশানাল পার্ক,করবেট টাইগার রিসার্ভ, পিথোরাগড়, আলমরা, হালদোয়ানি, কুমায়ন রেঞ্জের সংরক্ষিত এলাকায় কিভাবে মারা গেল জানার চেষ্টা করবে।

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর উত্তরাখণ্ড হাই কোর্ট এই বিষয়ে একটি প্রাথমিক তদন্তের নির্দেশ দেয়। রাজ্যজুড়ে চলা এই ঘটনায় কারা জড়িত, কারা এই বিষয়ে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত না হলেও মদত দিয়েছেন? দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার বা আধিকারিকেরা এছাড়া বনদফতরের আধিকারিকেরা এর সঙ্গে জড়িত কিনা সেবিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। এর পাশাপাশি আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেয় উত্তরাখণ্ড হাই কোর্ট।

সেখানকার নৈনিতাল বেঞ্চ ২০১৬ সালের মার্চ মাসে হরিদ্বারে পাঁচটি বাঘের চামড়া উদ্ধার হওয়ার পর একটি প্রাথমিক তদন্তের নির্দেশ দেয়। বাঘগুলি করবেট টাইগার রিসার্ভ এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের ছিল এমনটাই অনুমান। এদিকে ধিকালা অঞ্চলে বাণিজ্যিক যানবাহন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কোর্ট। বাঘ দেখার জন্য এই জায়গাটি পর্যটকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল।

করবেটে প্রায় ২৪০ টি বাঘের বাড়ি। প্রতিদিন প্রায় ১৮০টি গাড়ি পর্যটকদের বাঘের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাতো। বার্ষিক ভাবে প্রায় ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ সেখানে আসেন। যার সঙ্গে প্রায় ৯ লক্ষ টাকার ব্যবসা জড়িয়ে রয়েছে।