প্রতীতি ঘোষ, বসিরহাট : এবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের শিল্প ও সড়ক দফতরের প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ গোলাম বিশ্বাসের ভাই আব্দুল বারিক বিশ্বাসের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই।

বুধবার সকালে সিবিআই’এর একটি বিশেষ দল বারিক বিশ্বাসের বাড়িতে হানা দেয় এবং সেখানে তল্লাশি করে। এলাকায় ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ব্যবসা রয়েছে এই নামেই পরিচিত আব্দুল বারিক বিশ্বাস। কিন্তু তার আড়ালেই যে তার কয়েকশো অবৈধ ব্যবসা ছিল তাও অজানা নয় বসিরহাটবাসীর।

রাজনীতি থেকে প্রশাসন সবার ঘরে তার যাতায়াত ছিল অবাধ। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বাস পরিবারের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্টতা বৃদ্ধি পায়। এর আগে বারিক বিশ্বাস বাম নেতাদের ছত্রছায়ায় ছিল। ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামেদের ক্ষমতা হারাতে দেখে বারিক ও বিকল্প ছাতা খুঁজতে থাকে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্টতা বৃদ্ধি করে এবং তার চোরাই কারবারের ব্যবসা অব্যাহত রাখে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ ভাবে গরু থেকে মানুষ সব বিষয়েই পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

যদিও এর আগে বেশ কয়েকবার সে বিএসএফ, কেন্দ্রীয় সরকারের শুল্ক বিভাগ, ও আয়কর দফতরের হাতে গ্রেফতার হয়। কিন্তু কোনও ভাবেই বেশি দিন শ্রীঘরে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি এই প্রভাবশালী চোরাকারবারীরকে। সোনা, মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র, বিভিন্ন রাসায়নিক, ইলেকট্রনিক্স পণ্য,খাদ্য সামগ্রী, বস্ত্র , জ্বালানী তেল এমনকি ওষুধ পাচারেও আব্দুল বারিক বিশ্বাসের সমান দক্ষতা ছিল।

জানা গিয়েছে, বিএসএফ ও পুলিশের একাংশের সঙ্গে মান্থলি চুক্তিতে এই কারবার যে চলত সেটা বসিরহাটের কোনও মানুষের অজানা নয়। এক কথায় বলা যায় বসিরহাটের ডন হল এই বারিক বিশ্বাস।

২০১১ তে রাজ্যের ক্ষমতায় তৃণমূল কংগ্রেস আসার পরে বারিক বিশ্বাসের ব্যবসা আরও রমরমা হয়। ভাই গোলাম বিশ্বাসকে জেলা পরিষদের শিল্প ও সড়ক দফতরের কর্মাধ্যক্ষ পদে আসীন করে প্রভাব বিস্তার করে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ওপরেও। বলা বাহুল্য তাকে আর ছোঁয় কে?

কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য ব্যাপী আশানুরূপ ফল না হওয়ায় এরাও কালে ভদ্রে চিন্তিত হয়ে পড়েন। কিভাবে টিম রক্ষা করবে, চেন ব্যবসা বেহাত হলে বেচেঁ থাকা কঠিন। ফের ঘুর পথে শুরু করে নানা চোরাকারবারীর ব্যবসা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। যদিও এখন দেখার বিষয় জল কত দূর গড়ায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।