স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সারদাকাণ্ডে কলকাতা পুরসভাকে নোটিস সিবিআইয়ের৷ টাউন হলের বুকিং সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে কলকাতা পুরসভাকে নোটিস দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷

সিবিআই সূত্রে খবর, সারদাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে টাউন হল সংক্রান্ত কিছু তথ্য তাদের হাতে আসে৷ তার ভিত্তিতেই এবার পুরসভাকে নোটিস দেওয়া হয়েছে৷ সেখানে জানতে চাওয়া হয়েছে প্রদর্শনীর জন্য কে বা কারা টাউন হল বুকিং করেছিল৷ সে সময় বুকিং এর জন্য কত টাকা দেওয়া হয়েছিল৷ টাউন হলটি কত বার বুকিং করা হয়েছিল৷ এই সমস্ত তথ্য ২৮ শে অক্টোবর এর মধ্যে সিবিআইয়ের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে৷

এর আগেও ২০১৫ সালে সারদাকাণ্ডে কলকাতা পুরসভাকে নোটিস পাঠিয়েছিল সিবিআই৷ সারদার অধীনস্থ চারটি সংস্থাকে পুরসভা ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছিল তার বিস্তারিত নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ সেগুলো হল সারদা রিয়েলটি, সারদা হাউজিং, সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস এবং সারদা গার্ডেন রিসর্ট অ্যান্ড হোটেলস৷ এদেরকে কী কী শর্তে পুরসভা লাইসেন্স দিয়েছিল, লাইসেন্স ফি বাবদ কত টাকা নেওয়া হয়েছিল, এ সবের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পুরসভার চিফ ম্যানেজারকে (লাইসেন্স) চিঠি পাঠিয়েছিল সিবিআই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.