কলকাতাঃ  ফের সারদা-কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। রাজীব মামলায় শুনানির তারিখ এগিয়ে আনার আবেদন জানাল সিবিআই। আজ মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির তারিখ এগিয়ে আনার আর্জি জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায়। বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদের সিঙ্গল বেঞ্চে এই সংক্রান্ত আবেদন জানানো হয়। কিন্তু সিবিআইয়ের শুনানির সময় এগিয়ে আনার আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ শুনানিতে জানিয়ে দেন, আগামী ২ জুলাই বিচারপতি আশা আরোরার বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হবে।

প্রসঙ্গত, আগামী ২ জুলাই সারদা মামলায় রাজীব কুমারের আবেদন শুনবে কলকাতা হাইকোর্ট। সারদাকাণ্ডে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠায় সিবিআই। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে সেদিন। বিষয়টি আদালতে তোলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী, এরপরেই প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের আবেদনের শুনানির জন্য ২ জুলাই দিন ধার্য করেন বিচারপতি আশা অরোরা।

উল্লেখ্য গত ৩০ মে, সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে গ্রেফতার বা তাঁর বিরুদ্ধে ১০ জুলাই পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশে জানিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত খোলার পর থেকে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে একমাসের সুরক্ষা দেয় আদালত, পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাঁকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

২০১২-এ বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার নিযুক্ত হন রাজীব কুমার। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার আগে চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে রাজ্য সরকার গঠিত সিটের প্রধান ছিলেন তিনি। আর সেজন্যে সারদা-কান্ডে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। এর আগে যদিও শিলংয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজীব কুমারকে জেরা করে সিবিআই। কিন্তু বেশ কিছু প্রমাণ্য নথি হাতে থাকতে রাজীবকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। কিন্তু গত কয়েকদিন আগে রাজীব কুমারকে রক্ষাকবচ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রক্ষাকবচ দিলেও সিবিআইকে সবরকম সাহায্য করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।