স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সারদা-কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর রাজ্য সরকার বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে। সেই দলে ছিলেন গোয়েন্দা অফিসার দিলীপ হাজরা। বৃহস্পতিবার তাকে প্রায় দু ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এই নিয়ে তাকে চারবার জিজ্ঞাসাবাদ করলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের গঠিত সিটের তদন্তকারী অফিসাররা সারদার বিভিন্ন অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল। সেই সময় সিটের ওই তল্লাশি অভিযানে ছিলেন দিলীপ হাজরা । তখন সারদার অফিস থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল প্রচুর নথি ও কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। এমনকি মিডল্যান্ড পার্কের হিসাবরক্ষক আর্মিন আরা কে নিয়েও তল্লাশি চালিয়েছিল সিট।

এবার দিলীপ হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই জানতে চাইছে, সিটের সদস্য হিসাবে তাকে কী কাজ করতে হয়েছে, উপরতলার পুলিশ কর্তারা তাকে কি নির্দেশ দিয়েছিল, লাল ডায়েরি ও পেনড্রাইভ সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন কিনা?

এর আগেও সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে হাজির হয়েছিল দিলীপ হাজরা৷ সারদা মামলায় সে তৎকালীন তদন্তকারী একজন অফিসার ছিলেন৷ রাজ্য সরকার যে সিট গঠন করেছিল তার একজন সদস্য৷ সেদিন তাকে প্রায় চার ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়৷ সে সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূ্র্ণ নথির সন্ধ্যানে তাকে জেরা করা হয়৷ তার সঠিক উত্তর না মেলায় দিলীপ হাজরাকে আজ ফের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই ৷

প্রসঙ্গত, সারদা মামলায় তৎকালীন বিধাননগরের গোয়েন্দা প্রধান অর্ণব ঘোষ সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতেই প্রচুর নথি হাতে আসে সিবিআইয়ের৷ তাঁকে জেরার মধ্যেই সারদা তদন্তের নথি সম্বলিত দু’ট্রাঙ্ক নথি সিবিআইয়ের কাছে জমা দেওয়া হয় বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে৷ দক্ষিণ থানার পুলিশ কর্মী আর আই মোল্লা পরের দিন ফের দু’ট্রাঙ্ক নথি সিবিআই দফতরে নিয়ে আসেন৷ এবং তৃতীয় দিন আসে আরও চারটি ট্রাঙ্ক ভরতি নথি৷ সব মিলিয়ে আট ট্রাঙ্ক নথি সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে জমা পড়ে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ