কলকাতা: প্রমাণ লোপাট করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। এবার সংবাদমাধ্যমকে সরাসরি এই অভিযোগের কথা জানালেন অন্তর্বর্তীকালীন সিবিআই চিফ এম নাগেশ্বর রাও।

রবিবার সংবাদসংস্থার মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই আমরা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্ত করছি। শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তৈরি হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন রাজীব কুমার। তিনিই বর্তমানে কলকাতার পুলিশ কমিশনার।’

নাগেশ্বর রাও-এর অভিযোগ, সব নথি বাজেয়াপ্ত করে নেওয়া হয়েছে। চিটফান্ড কেলেঙ্কারির অনেক প্রমাণ লোপাট করে ফেলা হয়েছে বা নষ্ট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি। তদন্তে কলকাতা পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার সন্ধেয় রাজীব কুমারের বাড়িতে যান সিবিআই অফিসাররা। এরপরই শুরু হয় কলকাতা পুলিশের সঙ্গে সংঘাত। কলকাতা পুলিশের সিপির বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় সিবিআই আধিকারিকদের। সিবিআই অফিসারদের নিয়ে যাওয়া হয় শেক্সপিয়র সরণি থানায়। কিছুক্ষণ পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সিবিআই কমপ্লেক্সে রাজ্য পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে যায়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে রাজ্য পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা।

খবর পেয়েই কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব কুমারের বাড়িতে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সেখান থেকে বেরিবে মেট্রো চ্যানেলে ধর্না শুরু করেছেন তিনি। সূত্রের খবর তাঁর সঙ্গে ধর্নায় যোগ দিতে আসছেন কেজরিওয়াল ও তেজস্বী যাদবও।

চিটফান্ড কাণ্ডে এর আগে চারবার তলব করা হয় কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। সিপির উত্তর সন্তোষজনক ছিল না বলে দাবি সিবিআইয়ের। সারদা-কান্ডে ধৃত দেবযানী মুখোপাধ্যায় থেকে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন ঘটনার পর মিডল্যান্ড পার্কের অফিস থেকে একটি লাল ডায়েরি এবং পেন ড্রাইভ অভিযানের সময় বাজেয়াপ্ত করেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। সিবিআইয়ের দাবি তদন্তবার হস্তান্তরের সময় সেই ডায়েরি এবং পেন ড্রাইভ পাননি। কোথায় গেল সেগুলি? তদন্তে সিবিআই। এইবিষয়ে সিপি সঠিক উত্তর দিতে পারবে বলে মনে করছে সিবিআই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।