কলকাতা: মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রির ঘিরে রয়েছে অনিয়ম দুর্নীতি রয়েছে – শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ বিরোধী কংগ্রেস ও বামদলের ৷ এবার বিধানসভাতেও উঠল এই ইস্যু এবং সেখানে দাবি উঠল সিবিআই তদন্তেরও।

রাজ্য সরকার কিছুদিন আগে কেভেন্টার্স-এর কাছে মেট্রো ডেয়ারির ৪৭% শেয়ার বিক্রি করেছে ৮৪.৫ কোটি টাকায়। পরবর্তীকালে তার থেকে ১৫% শেয়ার সিঙ্গাপুরের একটি সংস্থাকে বিক্রি করা হয় ১৭০ কোটি টাকায়। দু ক্ষেত্রে বিক্রির তুলনামূলক দাম থেকে বোঝা যাচ্ছে রাজ্য সরকার যে টাকায় শেয়ার বেচেছিল এবং তারই অংশবিশেষ হাত বদল করে ক্রেতা সংস্থা অনেক বেশি লাভ করছে। অর্থাৎ এমন লেনদেনে রাজ্য কোষাগারের ৫০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন প্রধান বিরোধী দলের সচেতক মনোজ চক্রবর্তী।

‘পয়েন্ট অফ ইনফর্মেশন’ এনে মনোজ চক্রবর্তী মেট্রো ডেয়ারি সংক্রান্ত ‘দুর্নীতি’র সিবিআই তদন্ত দাবি করেন। তাঁর প্রশ্ন, কেন ইডি বারবার মেট্রো ডেয়ারির ফাইল চেয়েও রাজ্য সরকার কাছ থেকে তা পায়নি৷ বিধানসভার মিডিয়া সেন্টারেও তিনি ওই একই অভিযোগ করে সিবিআই তদন্তের দাবি করেন। এই বিষয়ে বাম এবং কংগ্রেস যৌথ ভাবে মুলতবি প্রস্তাবও জমা দেয়৷

এই প্রসঙ্গে মনোজবাবু জানান,মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রির এই অনিয়ম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। সেই প্রসঙ্গ টেনেই মনোজবাবুর সাফ কথা , রাজ্য সরকার ঠিক ভাবে টেন্ডার ডেকে এই শেয়ার বেচলে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি লাভ করত৷ অন্যদিকে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীও মনোজবাবুর তোলা এই ইস্যুকে সমর্থন জানান৷ তাঁরও বক্তব্য, মেট্রো ডেয়ারির এই দুর্নীতি বড় কেলেঙ্কারি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।