মুম্বই- অভিনেত্রী তথা সুশান্ত সিং রাজপুতের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে ৭ অগাস্ট রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করেছে ইডি।

সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কে কে সিং তাঁর এফআইআর-এ দাবি করেছেন, সুশান্তের অ্যাকাউন্টের টাকার নয়ছয় করেছেন রিয়া। বড় অঙ্কের অর্থ তোলা হয়েছে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে। মানি লন্ডারিং বিষয়ে এইদিন জেরা করা হবে রিয়াকে।

মানি লন্ডারিং প্রিভেনশন অ্যাক্ট (পিএমএলএ)-র আওতায় রিয়ার বয়ান রেকর্ড করা হবে। কিছুদিন আগেই বিহার পুলিশের কাছে সুশান্তের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে আর্থিক তছরুপ বা মানি লন্ডারিং এর মামলা দায়ের করেনএনফর্সমেন্ট ডিরেক্টর (ইডি) ।

প্রসঙ্গত, বুধবার সুশান্ত মামলার তদন্ত ভার গিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। সম্ভবত আজ বুধবার কিংবা আগামিকাল বৃহস্পতিবার নয়া এফআইআর করতে পারে সিবিআই।দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের তরফে নোটিশ জারি করা হল সুশান্ত রহস্য মামলার সিবিআই তদন্তের।

সকালেই সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই তদন্তের জন্যে প্রস্তুত বলে জানানো হয় কেন্দ্রের তরফে। সন্ধ্যার মধ্যেই তৎপরতার সঙ্গে সিবিআই তদন্তের নোটিশ জারি করল কেন্দ্র সরকার। উল্লেখ্য, সুশান্তের বাবা কে কে সিং অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে রাজীব নগর থানায় এফআইআর দায়ের করেন।

তার পরেই বিহার পুলিশ তদন্তে নামে। এরই মধ্যে রিয়াও সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল ঘটনার তদন্ত বিহার থেকে মুম্বইয়ে স্থানান্তরিত করা হোক। এরও শুনানি হওয়ার কথা ছিল আজ বুধবার। সুপ্রিম কোর্ট আগামী তিন দিনের মধ্যে সমস্ত পার্টিকে এর উত্তর জানাতে বলেছে।

তার উপর ভিত্তির করে শুনানি হবে এক সপ্তাহ পরে। এছাড়াও রিয়ার আইনজীবি রিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়ার পরে স্থগিতাদেশের আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের কাছে। কিন্তু সেই আবেদনও খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সুশান্তের তদন্ত সিবিআই-এর হাতে যাওয়ায় সুশান্তের দিদি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সুশান্তের প্রাক্তন বান্ধবী তথা অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডেও একটি টুইট করে লেখেন, “যেই মুহুর্তের জন্য আমরা অপেক্ষা করেছিলাম অবশেষে সেটির আগমন হয়েছে।”নেটিজেনরাও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে কুর্নিশ জানিয়ে নেটদুনিয়ায় প্রশংসা করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।