কলকাতা: কয়লাকাণ্ডে এবার রাজ্যের বাইরেও সিবিআই তল্লাশি শুরু। উত্তর প্রদেশ ও মধ্য প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মোঘলরাইয়ে চালানো হচ্ছে তল্লাশি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কয়লা উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে পাচার করা হতো বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। এদিকে, ইতিমধ্যেই এরাজ্যে কয়লা পাচারকাণ্ডে শিলিগুড়ি থেকেও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যে কয়লা ও গরু পাচারকাণ্ডে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে সিবিআই। এরাজ্যের প্রভাবশালীদের বেশ কয়েকজন কলকাণ্ডে যুক্ত বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এখনও ফেরার। আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই এরাজ্যে ও রাজ্যের বাইরে থাকা লালর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

এর আগে বেশ কয়েকজনকে কয়লাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রের গোয়েন্দারা। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ম তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। কয়লাকাণ্ডে যাদের ইতিমধ্যেই ডেকে পাঠিয়ে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তাদের বয়ান রেকর্ড করে রাখা হয়েছে।

এরাজ্যে আসানসোল, কুলটি, জামুড়িয়ার বেশ কয়েকটি কয়লাখনিতেও হানা দিয়েছেন গোয়েন্দারাষ সেখান থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। তারই ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তল্লাশি। কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত পুরুলিয়ার নিতুড়িয়ার বাসিন্দা অনুপ মাঝি ওরফে লালা। রাজ্যেরই বেশ কিছু সরকারি আধিকারিক তাকে একাজে সাহায্য করতে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই লালাকে সাহায্য করা বেশ কিছু ব্যক্তির নাম সিবিআইয়ের হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।

বাংলা থেকে বিভিন্ন ভাবে রাজ্যের অন্যত্রও কয়লা পাচার করা হতো বলে দাবি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের বেশ কয়েকটি এলাকার সন্ধান পেয়েছে সিবিআই। বাংলার পাচার হওয়া কয়লা সেই রাজ্যগুলিতে চড়া দামে বিক্রি করা হতো বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।

তদন্তে এই তথ্য হাতে আসতেই তৎপরতা নেন গোয়েন্দারা। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় চালানো হচ্ছে তল্লাশি। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। শীঘ্রই তাদের তদন্তে আরও বেশ কিছু সাফল্য হাতে আসবে বলে মনে করছে এই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.