নয়াদিল্লি: ক্ষমতার অপব্যবহার আর দুর্নীতির অভিযোগে নিজেদের দফতরের একাধিক অফিসারকে গ্রেফতার করল সিবিআই৷ ঘুষ নিয়ে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে দুষ্ট সংস্থাগুলিকে নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে৷

এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তল্লাশি শুরু করে সিবিআই৷ ঘটনাচক্রে সিবিআই-এর আতস কাঁচের নীচে চলে এল তাদেরই অফিসরা৷

স্বভাবতই নিজেদের অফিসারদের কুকীর্তিতে অস্বস্তিতে পড়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তাঁরা৷ ব্যাঙ্ক জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে৷ এই মামলার তদন্ত শুরু করা হয়েছে৷ কমপক্ষে পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর৷

জানা গিয়েছে, এই সকল দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসাররা নিয়মিতভাবেই অভিযুক্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকে ঘুষ নিতেন৷ এর আগেও নানা সময়ে সিবিআই-কে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে৷ তাদের ‘খাঁচায় বন্দি তোতাপাখি’ বলে কটাক্ষ করেছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট৷ ২০১৭ সালে কয়লা কেলেঙ্কারির শুনানির সময় সিবিআই-কে তোতাপাখি বলেই সম্বোধন করেছিল

শীর্ষ আদালত৷ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে বহুবার। সিবিআই-এর রাজনৈতিক ব্যবহারের অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবার সরষের মধ্যেই দেখা গেল ভূত৷ যাঁদের উপর অপরাধের তদন্তকার করার ভার, তাঁদেরই নাম জড়াল অপারাধের সঙ্গে৷

অতীতে টুজি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারির তদন্তেও সিবিআই-এর গতি দেখে বিরক্ত প্রকাশ করেছিল শীর্ষ আদালত৷ গত অক্টোবর মাসে বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় ৩২ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে লখনউয়ের বিশেষ আদালত৷

এই সিদ্ধান্ত কার্যত সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেয়৷ আবার রাজ্যে একুশের ভোটের আগে সারদা কাণ্ড নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে সিবিআই৷ তাদের ভূমিকা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র৷ গত মাসে সারদা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে ফের হলফনামা জমা দেয় সিবিআই।

তাতে বিধাননগর এবং কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।