নয়াদিল্লি: সারা দেশে যত চিটফান্ড রয়েছে, সবকটির ক্ষেত্রে তদন্ত করা উচিৎ সিবিআইয়ের। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন এমনটাই জানালেন বিচারপতি। তদন্তের ভার রাজ্য পুলিশের হাতে ছেড়ে দিলে, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যক্তিরা ছাড় পেয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সর্বোচ্চ আদালত।

সারদা-সহ সমস্ত বেআইনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কিন্তু, সারদা ছাড়া এমন সংস্থার সংখ্যা ২৪৩। সিবিআইয়ের পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। হাতে পুলিশের সংখ্যা কম। রাজ্য পুলিশের কাছ থেকেও পর্যাপ্ত সাহায্য মিলছে না। তাই ঠিক করা হয়েছে, যে সমস্ত সংখ্যার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৫টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং যে সব সংস্থা বাজার থেকে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ টাকা তুলেছে আপাতত তাদের বিরুদ্ধেই তদন্ত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে বর্তমানে ৫৮টি সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।