ফাইল ছবি

ভোপালঃ করোনা লকডাউন চলছে। মাঝে এসেছে নিজামুদ্দিন মার্কাজের ঘটনা। যা নিয়ে রীতিমত তোলপাড় হয়েছে দেশ। সেই ঘটনার রেশ কাটেনি, তারমাঝেই ফের মসজিদে নমাজ পরা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এই ঘটনায় ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিজামুদ্দিনের ঘটনার নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল মধ্যপ্রদেশের চিন্দওয়ারার চৌরাইতে। চৌরাই পুলিশের ইন-চার্জ জানিয়েছেন, “৪০ জনকে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মসজিদের ভেতর নমাজ পড়তে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে মহামারী আইনে মামলা হয়েছে”।

প্রসঙ্গত, নিজামুদ্দিন মার্কাজে তবলিগি জামাতের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জমায়েত করেছিলেন। এই ঘটনার পরেই সেখান থেকে মানুষ বিভিন্নপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলেছে, ভারতে এখন প্রতি ৪ দিনে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। আর এর পিছনে বড় ‘ভূমিকা’ রয়েছে তবলিঘি জামাতের।

কেন্দ্রীয় রিপোর্ট বলছে, নিজামউদ্দিন মসজিদের বিপুল জমায়েতের কারণেই দেশজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার ছুঁতে পারে। তাই নিজামুদ্দিনের ওই সমাবেশ দেশের করোনা মহামারির এপিসেন্টার হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিলেন চিকিৎসকরা।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে বলা হয়েছে, “দিল্লির ওই তাবলিগ জামাত থেকে দেশের ১৪টি রাজ্যে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ওই তাবলিগি জামাতের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১২ জন ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’

গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে মার্কাজ নিজামুদ্দিনের ওই তবলিগি জামাতে ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকে মানুষ অংশ নেন। ছিলেন বাংলাদেশিও। সব মিলিয়ে প্রায় ৯ হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলেন ওই সমাবেশে। ভারতের একাধিক রাজ্যে রাজ্য সরকার ওই সমাবেশে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

ইতিমধ্যে ২২টি সম্ভাব্য হটস্পট চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এই ২২টি উদীয়মান কেন্দ্রগুলিতে যাতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত শূন্যে নামিয়ে আনা যায় তার জন্য নতুন রোগীদের বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। কেন্দ্র্রের মতে, এখনও পর্যন্ত ব্যাপক সম্প্রদায়-সংক্রমণের কোনও প্রমাণ নেই। তাই হটস্পটগুলিতে বাড়ানো হতে পারে লকডাউনের মেয়াদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।