কলকাতা: ঢাকের তালে কোমর দুলিয়েছেন নুসরত। একসঙ্গে অঞ্জলি দিয়েছেন সৃজিত-মিথিলাও। আর এবার এই প্রত্যেকের নামেই হল আদালত অবমাননার অভিযোগ। এরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মণ্ডপের সামনে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

শনিবার অষ্টমীর সকালে সৃজিত-মিথিলা এবং নিখিল ও নুসরতকে দেখা যায় সুরুচি সঙ্ঘের মণ্ডপের সামনে। একসঙ্গে অঞ্জলি দেন তাঁরা । পরে ঢাকের কাঠি দেন নিখিল। ঢাকের তালে নাচেন নুসরত। প্রকাশ্যে আসে সেই ভিডিও। আর এরপরই এই অভিযোগ হয়েছে।

পুজোয় ভিড় রুখতে হাইকোর্টে মামলাকারী আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় তাঁদের আাদালত অবমাননার নোটিশ পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, পুজা মণ্ডপে বাইরের লোকেদের নো এন্ট্রি। সেখানে শুধুমাত্র উদ্যোক্তারাই ঢুকতে পারবেন, তাও নির্দিষ্ট সংখ্যায়। তাহলে কি সেলিব্রেটির স্বামী বা স্ত্রী হলে আদালতের রায় এড়িয়ে যাওয়া যায়? জানা গেছে, আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হতে পারে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।

কলকাতা হাইকোর্টের সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিজিত্‍ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সম্প্রতি রায় দিয়েছিল যে, পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য থাকবে। বাইরের কেউ সেখানে ঢুকতে পারবে না। তারপর এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুজো উদ্যোক্তারা আবেদন জানালে, সেখানেও এই রায়ের খুব একটা অদলবদল করা হয়নি। লক্ষ্মীপুজোর ৪ দিনের মধ্যে পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে আদালতকে জানাতে হবে, তাদের রায় ঠিকভাবে পালিত হয়েছে কি না।

অন্যান্যবারের মতই স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে অঞ্জলি দিতে গিয়েছিলেন নুসরত। এমনকি সেখানে ঢাকের তালে নুসরতকে নাচতেও দেখা গিয়েছে। ঢাকে কাঠি দেন স্বামী নিখিল।

এর আগে বারবার কট্টরপন্থীদের রোষের মুখে পড়েছেন নুসরত। কখনও সিঁদুর খেলায়, কখনও রথে সামিল হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

এবছরও মহালয়ায় দুর্গা সেজে ছবি তুলে রোষের মুখে পড়েন তিনি। একের পর এক ‘ধর্মবিরোধী’ আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের ওপর রীতিমত ক্ষুব্ধ হন দেওবন্দের ইসলাম ধর্ম প্রচারক। নুসরতের সমালোচনা করে বিতর্ক তৈরি করেন মৌলানা ইশাক গোরা।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I