মুম্বই: ‘তান্ডব’-এর পর এবার ‘মির্জাপুর’। অ্যামাজন প্রাইমের আরও একটি শো নিয়ে শুরু হল বিতর্ক। উত্তরপ্রদেশকে খারাপ ভাবে তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে ‘মির্জাপুর’-এর বিরুদ্ধে। এই ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে এই ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে মামলা শুর হয়েছে। এছাড়া উত্তরপ্রদেশ পুলিশ তদন্ত করতে মুম্বই রওনা হয়েছে বলেও খবর।

রবিবার ‘মির্জাপুর’ ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ করেন অরবিন্দ চতুর্বেদী নামে এক সাংবাদিক। তাঁর অভিযোগ, এই ওয়েব সিরিজে ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ পাওয়ার পর শুরু হয় মামলা।

ঘটনার তদন্ত করতে মির্জাপুর থানার পুলিশ মুম্বই রওনা দিয়েছে বলে খবর। উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর শহরের নানা সমস্যা ও অন্ধকার দিক তুলে ধরা হয়েছে ওয়েব সিরিজে। কিন্তু তার সত্যতা কতটা? সত্যিই কি যোগী প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্য রয়েছে? এ সবই এখন তদন্ত সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে ‘মির্জাপুর’-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে সিরিজের প্রযোজক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইমকে নোটিশ পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত।

প্রসঙ্গত মির্জাপুরের এক বাসিন্দার জনস্বার্থ মামলার ভিত্তিতেই নির্মাতাদের নোটিশ পাঠিয়েছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শরদ অরবিন্দ বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না ও ভি রামা সুব্রহ্মণ্যমের বেঞ্চ এই নোটিশ পাঠায়। ওয়েব সিরিজের প্রযোজক রীতেশ সিধওয়ানি, সহ-প্রযোজক ফারহান আখতার ও ভৌমিক গোন্ডালিয়ার বিরুদ্ধেও মির্জাপুর থানায় ১৯ জানুয়ারি দায়ের হয়েছে অভিযোগ।

ইতিমধ্যেই অ্যামাজন প্রাইমের আরও একটি ওয়েব সিরিজ ‘তাণ্ডব’-এর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। উত্তরপ্রদেশের থানায় এফআইআর-ও করা হয়েছে। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন সইফ আলি খান, ডিম্পল কাপাডিয়া, জিশান আইয়ুব প্রমুখ বিখ্যাত অভিনেতারা।

ওই ওয়েব সিরিজের একাধিক দৃশ্য নিয়ে উঠেছে আপত্তি। বলা হয়েছে একটি দৃশ্য সরাসরি হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করেছে। সেই কারণে নেটদুনিয়াতেও এনিয়ে চর্চা ও সমালোচনা চলে প্রচুর। বিতর্কের অবসান এখনও হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।