নয়াদিল্লি: গত বছর ১৩ জুন মাস৷ চিনের জিংট্যাং বন্দরে নোঙর করে পণ্যবাহী জাহাজ এমভি জগ আনন্দ৷ তবে থেকেই চিনের বন্দরে আটকে পড়েছিলেন এমভি জগ আনন্দের ২৩ জন ভারতীয় নাবিক৷ অবশেষে ঘরে ফেরার পালা৷ বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন তাঁরা৷

কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌ পরিবহনমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া আগেই জানিয়েছিলেন ১৪ জানুয়ারি দেশে ফিরতে চলেছেন এমভি জগ আনন্দের ২৩ জন নাবিক৷ তিনি টুইট করে বলেন, ‘‘চিনে আটকে থাকা আমাদের নাবিকরা দেশে ফিরছেন৷’’ এমভি জগ আনন্দের পাশাপাশি ২০ সেপ্টেম্বর একইভাবে চিনা বন্দরে আটকে পড়েছিল এমভি অনস্তেশিয়ায়া৷ ওই জাহাজে রয়েছেন ১৬ জন ভারতীয় নাবিক৷

দুটি জাহাজই মাল খালাসের অপেক্ষায় বন্দরে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলেও চিনের তরফে পণ্য খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়নি তাদের। উলটে তাদের বন্দরের ভাড়া গুণতে হয়। মাসের পর মাস একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে কমতে শুরু করেছিল ওষুধ ও খাদ্যপণ্যের ভাণ্ডারও। অবশেষে এই দুই জাহাজের কর্তৃপক্ষ ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু নয়াদিল্লির একাধিক অনুরোধ সত্ত্বেও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ দেখিয়ে তাদের পণ্য খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়নি৷ নাবিক বদলানোর অনুমতিও দেয়নি চিনা প্রশাসন।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, বেজিংয়ে ভারতীয় দূতাবাস এই বিষয়টি নিয়ে চিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ক্রমাগত আলোচনা চালাচ্ছে৷ তিনি আরও বলেন, ‘‘চিনে আমাদের রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিশ্র ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি নিয়ে চিনের উপ বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন৷ এমভি জগ আনন্দ এবং এমভি অনস্তেশিয়ায়ার নাবিক পরিবর্তনের জন্য দ্রুত অনুমোদনের অনুরোধও জানানো হয়েছে৷ এই বিষয়ে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত চিনা দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে৷’’

এই বিষয়টি নিয়ে কি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করছে বেজিং? এই বিষয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমরা বারবার বলেছি কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা নিয়ে নির্দিষ্ট শর্তাবলী রয়েছে চিনের৷ তার বদল সম্ভব নয়৷’’ তবে তিনি জানান, ‘‘এই বিষয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে৷ এবং তাদের অবেদনে বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।