বর্তমানে চাকরির বাজারে মন্দা সর্বজনবিদিত। স্নাতক স্নাতকোত্তর পাশ করেও কর্মসংস্থানের রাস্তা ক্রমশ হচ্ছে সংকীর্ণ। করোনা পরবর্তীকালে আরও ভাটার মুখে চাকরির বাজার। কাজ হারিয়েছেন অনেক মানুষ। এই অবস্থায় থিয়েটার অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের পথ সুগম করে দিতে পারে।

থিয়েটার অতি পরিচিত একটি শিল্প। সৃষ্টিশীল মানুষ সৃজনশীলতার মাধ্যমে নিজের চিন্তা ভাবনা থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন দিক মঞ্চস্থ করেন। মূলত থিয়েটারে আমরা মঞ্চে অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয় দেখি, কিন্তু অভিনয় মঞ্চস্থ হওয়ার পেছনে থাকে প্রচুর মানুষের নিরলস পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়। যাঁদের ছাড়া এই থিয়েটার শিল্পের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। মঞ্চের পেছনে থেকে, প্রচারের আলোয় না থেকে প্রতিনিয়ত তারা কাজ করে চলেছেন। এবং সেই ক্ষেত্রে রয়েছে কাজের বিভিন্ন সুযোগ। আসুন দেখে নেওয়া যাক।

১. ফাইট কোরিওগ্রাফার: সিনেমায় মারামারি দৃশ্য মূলত স্টান্ট ম্যানরা করে থাকেন। কিন্তু থিয়েটারে মঞ্চে অভিনেতাদের সেটা করতে হয়। আর নিরাপদ ভাবে ফাইটের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে অভিনেতাদের যারা প্রশিক্ষণ দেন তারাই হলেন ফাইট কোরিওগ্রাফার।

২. স্ক্রিপ্ট রাইটার: কোনো নাটক বা সিনেমার প্রধান বিষয়বস্তু হল তার গল্প। গল্প ও সংলাপ কীভাবে পরিবেশনা করলে সেটা দর্শকদের ভালো লাগবে, তার দায়িত্ব মূলত থাকে স্ক্রিপ্ট রাইটার বা চিত্র নাট্যকারের ওপর।

৩. স্টেজ ম্যানেজার: স্টেজ ম্যানেজার এর ভূমিকা নাটকের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ন। নাটক রিহার্সাল থেকে মঞ্চস্থ হওয়া, অভিনেতাদের সঙ্গে বাকি টেকনিশিয়ানদের যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করা, সব ভূমিকাই পালন করতে হয় স্টেজ ম্যানেজারদের।

৪. সেট ডিজাইনার: সেট ডিজাইনার নাটকের পরিচালকের সঙ্গে পরামর্শ করে ঠিক করেন যে নাটকের সেট কেমন হবে। ব্যাকগ্রাউন্ডে কি থাকবে, কি কি জিনিস স্টেজে রাখা হবে সব কিছু নির্ণয় করা এদের কাজ।

৫. মেকআপ আর্টিস্ট: অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেন এরা। চরিত্রের প্রয়োজন অনুসারে অভিনেতাদের তুলির টানে সাজিয়ে তোলার দায়িত্ব থাকে এদের ওপর।

৬. লাইট ও সাউন্ড টেকনিশিয়ান: লাইট ও সাউন্ড ছাড়া থিয়েটার অচল। কোন সিনের ক্ষেত্রে কতটা লাইট লাগবে, কিভাবে সাউন্ডের ব্যবস্থা করলে অভিনেতাদের পাঠ করা সংলাপ দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে সবই নির্দেশকের সঙ্গে কথা বলে এরা ঠিক করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.