এসি, যাকে ছাড়া আজকাল প্রায় চলা দায়। বাড়িতে হোক বা অফিস, এসি মাস্ট৷ আর মাঝের পথটুকু, তার জন্য তো রয়েছেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি৷ নিজের হোক বা অনলাইনে বুক করা৷ মাঝের পথটুকুও এসি ছাড়া নট নড়ন ড়ন, নট কিচ্ছু! কিন্তু জানেন কী এসি থাকতে গেলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়৷

কারণ, এ সিতে থাকলে এমনিতেই শরীরের জলের অভাব দেখা দেয়। যে ঘরে এ সি চলছে, সেখানকার বাতাস খানিকটা মরু অঞ্চলের বাতাসের মতোই শুষ্ক হয়ে যায়, আমাদের ত্বকে যে ময়শ্চার থাকে তাও বের করে দেয়। ফলে, ত্বকের ময়শ্চার ব্যালেন্স নষ্ট হয়৷  ত্বক শুষ্কও খসখসে হয়। বহুদিন ধরে দীর্ঘক্ষণ এ সিতে থাকতে থাকতে ত্বক ক্রমশ কুঁচকে যায়। যার ফলে আপনাকে বেশি বয়স্ক দেখায়।

পড়ুন: আবার বাবা হলেন অর্জুন রামপাল, রইল Exclusive ছবি

এক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু টিপস আছে। যা, আপনাকে এ সিতেও রাখবে সতেজ। স্কিনের জেল্লাও থাকবে অটুঁট।

এর জন্য কী করবেন জেনে নিন: সাবানের পরিবর্তে ক্লিনজিং মিল্ক বা জেল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন৷ কারণ, সাবান ত্বককে শুষ্ক করে।মাসে একদিন ফেসিয়াল করুন।ত্বক মসৃণ,টানটান এবং উজ্জ্বল রাখার জন্য টোনিংয়ের  কোনও বিকল্প নেই। তুলোয় গোলাপ জল দিয়ে মুখ মুছে নিতে পারেন।নিয়মিত মুখে ও গলায় ময়শ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম মাসাজ করুন। এতে ত্বক শুষ্ক হবে না।এ সিতে থাকলে দু’ঘণ্টা অন্তর অবশ্যই ময়শ্চারাইজার লাগান। এটি ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।কমলালেবুর রস মিশিয়ে লাগান মাঝে মধ্যে।এতে, ত্বক নরম ও মসৃণ হয়৷

কী করবেন না- সারা রাত এ সি চালিয়ে শোবেন না। ফ্যানের ব্যবহার করুন। ঘুমোবার আগে মিনিট ২০ এ সি চালিয়ে রুম ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর ফ্যান চালিয়ে শুয়ে পড়ুন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I

Comments are closed.