স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: রাস্তা পার হতে গিয়ে অলটো গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হলেন এক বৃদ্ধা৷ মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি আনন্দ চন্দ্র কলেজের সামনে৷

জখম বৃদ্ধার নাম তুলারানি দাস (৮৫)৷ আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷

আরও পড়ুন: পারিবারিক অশান্তিতে মদ্যপ বাবাকে কুপিয়ে খুনে অভিযুক্ত ছেলে

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় প্রতিদিনই সকাল থেকে তিনি ওই এলাকায় ঘুরে বেড়ান৷ এদিনও তিনি রাস্তায় ঘোরা ঘুরি করছিলেন৷ ঘটনার দিন সকালে বৃষ্টি পড়ছিল এলাকায়৷ সেই বৃষ্টির মধ্যে রাস্তা পার হচ্ছিলেন তুলারানি দেবী৷ তখনই অলটো গাড়িটির ধাক্কায় তিনি গুরুতর জখম হয়৷

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কোতয়ালী থানার পুলিশ৷ গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে৷ মাথায় তিনি গুরুতর আঘাত পেয়েছেন৷ মাথায় কয়েকটা সেলাইও পড়েছে৷ তিনি সেখানেই এখন চিকিৎসাধীন৷

আরও পড়ুন: একান্তে সুখী দাম্পত্য জীবন উপভোগ করছেন রাকিটিচ

আরও পড়ুন: দুধের দরেই গোমূত্র বিক্রি হচ্ছে এখানে

ঘটনাস্থল থেকে চালক সহ গাড়িটি আটক করেছে পুলিশ৷ পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷ ওই বৃদ্ধা তুলারানি দাসের বাড়ি কোথায় তা এখনও জানা যায়নি৷ পুলিশ জানিয়েছে, তিনি সুস্থ হলে তাঁকে জিঞ্জাসাবাদ করবে পুলিশ৷

গাড়ির চালক রানা দত্ত জানান, জখম বৃদ্ধার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যায়ভার তিনি বহন করবেন৷ তুলারানি দেবীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওটার কামনা তিনি করেছেন৷

আরও পড়ুন: রাজত্ব আছে শুধু নেই সন্ন্যাসী রাজা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।