জলপাইগুড়ি: পুরসভার ট্রাক্টরের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক ভ্যান চালকের। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে, জলপাইগুড়ি ষ্টেশন সংলগ্ন দুই নম্বর ঘুমটি এলাকায়। মৃত ভ্যান চালকের নাম শৈলেন কর্মকার (২৬) । বাড়ি জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের সাকাতি এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়ে এলাকায়। পুলিশ ট্রাক্টরটিকে আটক করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে ওই ভ্যান চালক তিন নম্বর ঘুমটি এলাকা থেকে জলপাইগুড়ি ষ্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন ভ্যান নিয়ে। সেই সময় জলপাইগুড়ি পুরসভার পানীয় জলের দুটি ট্যাঙ্ক নিয়ে ট্রাক্টরটি পুরসভার দিকে আসছিল। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টরটি পেছন থেকে শৈলেন বাবুর ভ্যানে ধাক্কা মারলে, গুরুতর জখম হন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরেই মৃত্যু হয় শৈলেন বাবুর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ট্রাক্টরটিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পরে ট্রাক্টর ফেলে পালিয়ে যায় চালক। চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।