বর্ধমান: ৬০ টাকার লটারি কেটেই বাজিমাত। লটারিতে এক কোটি টাকা জিতলেন পেশায় এক গাড়িচালক। বাজারের খরচ বাঁচিয়ে লটারি কেটেই স্বপ্নপূরণ। প্রথম পুরস্কার জিতে নিলেন বর্ধমানের গলসির গাড়িচালক রূপেশ। কোটি টাকা জিতে বেশ ‘সাবধানী’ ওই গাড়িচালক। কাউকে কিছু না জানিয়েই পৌঁছলেন কাছাকাছি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায়। কীভাবে বা কোন স্কিমে টাকা জমা রাখবেন তারই খবর নিলেন ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের কাছ থেকে।

গলসির বাসিন্দা পেশায় গাড়িচালক কিছু জিনিস কেনাকেটা করতে বাজারে যান। বাজার করার পর কিছু টাকা বেঁচে যায়। পুরোন নেশার মতোই এবার ৬০ টাকার লটারি কাটেন ওই ব্যক্তি। তাতেই কেল্লা ফতে। বিকেলে লটারি কেটে রাতেই জানতে পারেন পুরস্কার বাবদ এক কোটি টাকা জিতেছেন তিনি। আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন ওই গাড়িচালক।

স্থানীয় এক রেশন ডিস্ট্রিবিউটারের গাড়ি চালান রূপেশ। লটারি কাটার নেশা তাঁর বহুদিনের। প্রায়ই দুটো-একটা করে লটারির টিকিট কাটেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের শিকে কিছুতেই ছিঁড়ছিল না। এবার ভাগ্যদেবতা তাঁকে নিরাশ করেননি। সাত হাজার টাকার বেতনের গাড়িচালক রাতারাতি কোটিপতি। স্ত্রী, কন্যা, মা, বাবা ও ভাইকে নিয়ে অভাবের সংসার রূপেশের। বাবা এখনও দিনমজুরের কাজ করেন । ছোটো ভাই এবং তিনি গাড়ি চালিয়ে সংসার চালান।

সদ্য লটারিতে কোটি টাকা জেতার পর গাড়িচালক রুপেশ জানালেন, মাঝেমধ্যে পকেটে টাকা থাকলে দু-একটা লটারি কাটেন। কিছু জিনিসপত্র কিনতে বাজারে গিয়েছিলেন। বাজার করার পর তাঁর কাছে ৬০ টাকা বেঁচে যায় । সেই টাকা দিয়ে তিনি লটারির টিকিট কাটেন। রাতে জানতে পারেন এক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

এদিকে, লটারাতি কোটি টাকা জেতার পর কাউকে কিছু জানাননি তিনি। পরের দিন সকালেই পৌঁছে যান স্থানীয় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায়। কোন স্কিমে টাকা জমা রাখবেন, তা নিয়েই আলোচনা সারেন ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে। অভাবের সংসারে এবার স্বচ্ছলতা আসবে ভেবে আনন্দে আত্মহারা রূপেশ। দুচোখে রয়েছে অনেক স্বপ্ন। তবে ধীরে ধীরে পা ফেলতে চান তিনি। সব দিক ভেবে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেই নিজে বিপুল প্রয়োজনের কাজগুলির একটি একটি করে করতে চান গাড়িচালক রূপেশ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।