Viral

ওয়াশিংটন: বিশ্বজুড়ে অব্যাহত করোনার (Coronavirus) কাঁপুনী। মারণ করোনার তাণ্ডবে রীতিমতো বিপর্যস্ত জনজীবন। দিন যত যাচ্ছে ততই ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে বিভিন্ন দেশের করোনা পরিস্থিতি। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এই অবস্থায় অদৃশ্য ব্যাধি করোনাকে দমিয়ে রাখতে কোভিড প্রোটোকল মেনে চলা একান্ত বাঞ্চনীয়।

আর এই অবস্থায় খোদ আমেরিকা (America) থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন তাবড় তাবড় দেশের প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে করোনা বিধি মেনে চলার জন্য বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে। করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার(Hand Sanitizer) ব্যবহার আবশ্যক।

আর এই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চক্করে পড়ে সম্প্রতি একটি ভিডিও (Viral Video) ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল ওই ভিডিওটি দেখে রীতিমতো তাজ্জব বনে গিয়েছেন নেট জনতা (Netizens)।

ভাইরাল ওই ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, গাড়ির সামনের সিটে বসে ধূমপান (Smoking) করার সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করায় হঠাৎ করেই আগুন ধরে যায় সারা গাড়িতে (Car) । যদিও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন গাড়ির মালিক।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন (US Maryland) যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের একটি গাড়ি পার্কি লটে। যেখানে গাড়িতে বসে ওই ব্যক্তি সিগারেট খাওয়ার সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছিলেন। আর তখনই হঠাৎ করে সারা গাড়িতে আগুন ধরে যায়।

ঘটনায় আশেপাশের লোক কিছুটা হকচকিয়ে গেলেও দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হল দমকলের ইঞ্জিন এসে ওই গাড়ির আগুন নেভাতে সক্ষম হন। যদিও ওই ব্যক্তি গাড়ি থেকে বের হতে সক্ষম হলেও ভুলবশত তাঁর নাবালিকা সন্তানকে গাড়িতেই ফেলে রেখে যান। যারফলে তার নাবালিকা সন্তান আগুনে আহত হয়।

এই বিষয়ে মন্টগোমেরি কাউন্টি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের মুখপাত্র পিট পিরঞ্জার ভিডিওটি টুইটারে পোস্ট করে লিখেছেন, “যানবাহনে হঠাৎ করে আগুন লেগে যাওয়ার কারণ হল, চালকেরা নিজেদের হাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন। এরপর গাড়ি চালাতে গেলে ওই অ্যালকোহল জাতীয় পদার্থ থেকে অসাবধানতা বশত এই ধরনের ঘটনা ঘটে। “

অন্যদিকে এই ঘটনায় আহত বাচ্চাটিকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার আঘাত গুরুতর না হলেও হাত ও পায়ে সামান্য পুড়ে গিয়েছে।

অন্যদিকে, স্যানিটাইজার জাতীয় দ্রব্যে অ্যালকোহল ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ থাকায় তা একটু আগুনের সংস্পর্শে আসলেই জ্বলে ওঠে। ফলে এই অবস্থায় বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা এড়াতে গত ২০০২ সাল থেকেই মার্কিন প্রশাসনের তরফে গরম আবহাওয়ায় বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের পর গাড়ি চালানো বা বৈদ্যুতিক মাধ্যমে কাজকর্মের উপর সতর্কতা জারি করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.