নয়াদিল্লি: কোভিড১৯ কে একপ্রকার ক্লিন বোল্ড করেই বাইশ গজে প্রত্যাবর্তন ঘটল ক্রিকেটের। নির্ধারিত সূচী মেনে, আইসিসি নির্দেশিত সমস্ত গাইডলাইন অনুসরণ করে ফের বল গড়াল ক্রিকেট মাঠে। প্রকৃতি দফায়-দফায় বাধ সাধল বটে। কিন্তু তার মধ্যেই বায়ো-সিকিওর পরিবেশে সাউদাম্পটনের অ্যাজিয়াস বোলে করোনা পরবর্তী সময় প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হল ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সুদূর মুম্বইয়ে বসে তারিয়ে তারিয়ে সেই ম্যাচ উপভোগ করছেন ভারতীয় দলের ওপেনার রোহিত শর্মা। বাইশ গজে ক্রিকেট ফিরতে দেখে তার আর তর সইছে না মাঠে নামার। সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেনও সে কথা। টুইটারে রোহিত লিখলেন, ‘ক্রিকেট ফিরে এসেছে। যুক্তরাজ্যের মাটিতে ইতিবাচক দৃশ্য চোখে পড়ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ফের ক্রিকেট ফিরতে দেখে ভীষণ ভালোলাগছে। দু’দলই সেরা। মাঠে ফেরার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’

রিকি পন্টিং লিখলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন দেখে ভীষণ ভালোলাগছে।’ বাইশ গজে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন দেখে চুপ থাকতে পারেননি ভারতের ফিঙ্গার স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনও। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘যাই হোক না কেন ক্রিকেট কিন্তু জিতে গেল। অতীতে বহুবার এই কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। কিন্তু আজ বোধহয় কথাটার যথার্থ প্রয়োগ হল। দু’টো দলের জন্যেই শুভেচ্ছা রইল।’

এছাড়াও বিশ্বজোড়া অসংখ্য ক্রিকেট অনুরাগী ক্রিকেট ফেরার কারণে উচ্ছ্বসিত। তারাও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তবে চার মাস পর প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় করেই এদিন বাইশ গজে ফিরল ক্রিকেট। স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি না থাকলেও লকডাউন পরবর্তী প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ ঘিরে অত্যুৎসাহী ক্রিকেট অনুরাগীদের এদিন চোখ ছিল টেলিভিশনের পর্দায়। তাদের এদিন কিছুটা হতাশ করে সাউদাম্পটনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। বৃষ্টির জেরে অ্যাজিয়াস বোলে এদিন ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম টেস্টের প্রথম সেশনের খেলা ভেস্তে যায়।

পরবর্তীতে বৃষ্টি কমলে অনুষ্ঠিত হয় টস। বায়ো-সিকিওর পরিবেশে করোনা পরবর্তী প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। টসের পর গাইডলাইন ভেঙে ভুল করে হ্যান্ডশেক করে বসেন দুই অধিনায়ক। যা নিয়ে কিছুটা মশকরাও চলল। এরপর কথামতো ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে কলারে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগান লেখা পরে মাঠে নামেন দু’দলের ক্রিকেটাররা। ম্যাচ শুরুর আগে হাঁটু গেড়ে মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে রেখে আন্দোলনকে সমর্থন জানান স্টেডিয়ামে উপস্থিত ক্রিকেটার, আম্পায়ার সহ অন্যান্যরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।