নয়াদিল্লি: অদূর ভবিষ্যতে দেশের মাটিতে আয়োজিত হবে না কোনও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া ইভেন্ট। এমনকি করোনা পরবর্তী সময়ে ফাঁকা স্টেডিয়ামে স্পোর্টস ইভেন্টের সঙ্গে অনুরাগীদের ধাতস্থ হতে হবে, সাফ জানালেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরণ রিজিজু।

স্বাভাবিক ভাবেই কেন্দ্রীয় ক্রীড়মন্ত্রকের এই মন্তব্য অক্টোবর-নভেম্বর উইন্ডোয় আইপিএল আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে আরও কয়েকগুণ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আগামী অক্টোবরে টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজন স্থগিত রাখলে ওই উইন্ডোয় আইপিএল আয়োজনের একটা পথ খোলা রেখেছে বিসিসিআই। দেশের প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিজিজু জানিয়েছেন, ‘দেশের মাটিতে স্পোর্টস ইভেন্ট ফেরাতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। কিন্তু তার আগে অ্যাথলিটদের প্রস্তুতি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। যা পরিস্থিতি তাতে খুব শীঘ্র কোনও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব নয় দেশেরর মাটিতে।’

একইসঙ্গে অনুরাগীদের প্রতি বার্তা দিয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শিখতে হবে। কারণ এহেন পরিস্থিতিতে আগামীদিনে দর্শকহীন স্টেডিয়ামেই ম্যাচ আয়োজন করতে হবে আমাদের।’ আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ আয়োজনের বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে জিজ্ঞেস করা হলে ক্রীড়ামন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, ‘কোনও টুর্নামেন্ট দেশের মাটিতে আয়োজন করার বিষয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে একমাত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে সরকার। কোনও ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের জন্য মানুষের জীবন আমরা বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারি না।’

নির্দিষ্ট করে দিনক্ষণ ঘোষণা করতে না পারলেও কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বলে চলতি বছরের কোনও একটা সময় নিশ্চয় দেশের মাটিতে খেলার আসর বসবে। কিরণ রিজিজুর কথায়, ‘এখন আমাদের লক্ষ্য কোভিড১৯-র সঙ্গে লড়াই এবং একইসঙ্গে সাধারণ অবস্থায় ফিরে আসতে পদ্ধতিগত পরিবর্তন। নির্দিষ্ট করে জানানো আমার পক্ষে এই মুহূর্তে অসম্ভব তবে চলতি বছর আমরা দেশের মাটিতে স্পোর্টিং ইভেন্ট আয়োজন করতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও