লখনউ: বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের জন্য ফের নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে শো’কজ নোটিশ পেলেন যোগী আদিত্যনাথ৷ নোটিশ পেয়ে ক্ষুব্ধ যোগীর প্রতিক্রিয়া, ভাষণ দিতে মঞ্চে ওঠেন রাজনৈতিক নেতারা৷ ভজন গাইতে নয়৷

কিছুদিন আগে বিরোধীদের আক্রমণ করে তাদের ‘বাবরের বংশধর’ বলে তোপ দেগেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী৷ এই নিয়ে কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন বিরোধীরা৷ তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী বিধি ভেঙেছেন যোগী৷ বিরোধীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর বৃহস্পতিবার ফের যোগীকে শোকজ নোটিশ পাঠায় কমিশন৷ এদিন সংবাদসংস্থা এএনআইকে সেই নোটিশের জবাব দিতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি কোনও নির্বাচনী বিধি ভাঙেননি৷ পুরানো একটি কথপোকথনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছিলেন মাত্র৷

৪৬ বছরের কট্টরহিন্দুত্ববাদী নেতা যোগী জানান, যখন তিনি সাংসদ ছিলেন তখন পার্লামেন্টে বিরোধীদলের এক সাংসদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তাদের বংশ পরিচয় কী? জবাবে ওই সাংসদ জানিয়েছিলেন, তারা বাবরের বংশধর৷ জবাব শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান যোগী৷ এরপরেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, রাজনৈতিক সভায় রাজনৈতিম বক্তব্যই রাখব৷ তাহলে কী এবার থেকে মঞ্চে উঠে ভজন গাইব? বিরোধীদের কোণঠাসা করতে মঞ্চে রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য রাখতে ওঠে৷ তিনি জানান, ওই মন্তব্য করে তিনি কোনও ভুল করেননি৷ বিরোধীদের দূর্বলতাকে তুলে ধরাই তো তাদের কাজ৷

এর আগে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের জন্য নির্বাচন কমিশনের শাস্তির মুখে পড়েন যোগী৷ তাঁকে তিনদিন রাজনৈতিক প্রচার থেকে দূরে রাখার নির্দেশ দেয় কমিশন৷ ১৯ এপ্রিল শেষ হয় শাস্তির মেয়াদ৷ ময়দানে নেমে আবারও স্বমূর্তি ধারণ করেন যোগী৷ ফের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন বিরোধীদের৷ উত্তরপ্রদেশের সম্বলে প্রচারে গিয়ে সপা প্রার্থী সাফিক-উর-রহমানকে নিশানা করেন৷ নির্বাচন কমিশন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে শুক্রবার বিকালের মধ্যে শো’কজের জবাব দিতে বলেছে৷ তার আগেই মুখবন্ধ খামে জবাব পাঠিয়ে দেন যোগী আদিত্যনাথ৷