প্রার্থী-পরিচয়

লোকসভা কেন্দ্র: আলিপুরদুয়ার

দশরথ তিরকে-

দল: তৃণমূল কংগ্রেস

বয়স: ৫২ বছর

পেশা: রাজনীতি, সমাজসেবা

লেখাপড়া: B.Com, কার্তিক ওরাওঁ মহাবিদ্যালয়, গুমলা( রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত)

রাজনৈতিক কেরিয়ার: ২০০১-২০১৪ সাল পর্যন্ত একটানা কুমারগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে আরএসপির টিকিটে জিতে বিধায়ক ৷বাম আমলে পূর্ত দফতরের মন্ত্রী(২০০১-২০১১)ছিলেন৷ ২০১৪ সালে আরএসপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন৷ওইবছরই ঘাসফুলের টিকিটে আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে জিতে সাংসদ হন৷

শখ: আদিবাসী গান পছন্দ করেন, নিজে ভালো ধামসা-মাদল বাজান

স্ত্রীর নাম: চন্দ্রকলা তিরকে, ব্যবসায়ী

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক উন্নয়নের কাজ দেখে আমায় ভোট দিন৷

জিতলে প্রথম কাজ: গতবারের যে প্রকল্পগুলির কাজ চলছে সেগুলি শেষ করা৷ চা-বাগানের শ্রমিক সুরক্ষায় আরও নজর দেওয়া৷

মিলি ওরাওঁ-

দল: আরএসপি

বয়স: ৪২ বছর

পেশা: গৃহবধূ

লেখাপড়া: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এম.এ

রাজনৈতিক কেরিয়ার: রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে৷ বাবা মনোহর তিরকে আরএসপি নেতা ও কালচিনি বিধানসভা কেন্দ্রে চারবারের বিধায়ক৷ বাম আমলে মন্ত্রীও ছিলেন৷ ২০০৯ সালে আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের সাংসদ হন মনোহরবাবু৷ তাঁর কন্যা মিলিদেবীর রাজনীতির পাঠ বাবার থেকেই নেওয়া৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি ছাত্র রাজনীতি করতেন৷

শখ: পর্বতারোহণ, গান শোনা, সিনেমা দেখা

স্বামীর নাম: বিমবিসার ওরাওঁ, চাকরিজীবী

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: এখানকার বড় সমস্যা চা-বাগানেরকে ঘিরে৷ কৃষকদের সমস্যাও৷ তাই চা-বাগানের কর্মী, কৃষকদের কাছে গিয়ে বলছি জিতলে আপনাদের সমস্যা সমাধানের যথাসাধ্য চেষ্টা করব৷

জিতলে প্রথম কাজ: বাড়ি বাড়ি গিয়ে এখন যেভাবে প্রচার করছি, জেতার পর ঠিক এইভাবে আগে সকলের বাড়ি গিয়ে গিয়ে ধন্যবাদ জানাব৷ তারপর এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করব কোন সমস্যার সমাধানটা আগে করা হবে৷

মোহনলাল বসুমাতা

দল: জাতীয় কংগ্রেস

বয়স: ৪৪ বছর

পেশা: শিক্ষক

লেখাপড়া: ১৯৯৭ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাশ৷ ২০১০ সালে ব্যাচেলর অফ এডুকেশন ডিগ্রি পেয়েছেন৷

রাজনৈতিক কেরিয়ার: ১৮ বছর বয়স থেকেই কংগ্রেসি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত৷মূলত স্থানীয় রাজনীতিই করেছেন৷

শখ: ক্রিকেট, ফুটবল

স্ত্রীর নাম: রোজিনা বসুমাতা, গৃহবধূ

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: চা-বাগানের শ্রমিকদের দুরাবস্থা দূর করব৷ কৃষকরা যাতে ফসলের সঠিক দাম পায় তার জন্য লড়ব৷

জিতলে প্রথম কাজ: এখনও কিছু ভাবিনি

জন বারলা

দল: বিজেপি

বয়স: ৪৩ বছর

লেখাপড়া: নবম শ্রেনী পাশ

পেশা: চা-বাগানের শ্রমিক

রাজনৈতিক কেরিয়ার: ২০০৭ সালে বিকাশ পরিষদের সঙ্গে যুক্ত৷ ২০১৪ সাল থেকে

শখ: ফুটবল ও ভলিবল খেলা

স্ত্রীর নাম: মহিমা কুল্লু বারলা, গৃহবধূ

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: আমি নিজে বাগানের একজন শ্রমিক৷ বামফ্রন্টের সময় অনেক আন্দোলন করেছি৷আমাদের আন্দোলনেই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকে হিন্দিতে প্রশ্নপত্র চালু হয়েছে৷এখানে আইটিআই সেন্টার৷আমি জিতলে স্থানীয়দের অধিকার নিয়ে লড়াই করব৷

জিতলে প্রথম কাজ: চা-বাগানের শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরির ব্যবস্থা করা ৷এখানে শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রকৃত উন্নতি করা৷