গান্ধীনগর: সাতদিনের ভারত সফরে এসে এবার সপরিবারে গান্ধীনগরে হাজির হলেন কানাডার প্রাইম মিনিস্টার জাস্টিন ট্রুডো৷ এখানে বাপুর সবরমতী আশ্রমে পৌঁছে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন তিনি৷ ভারতীয় পোশাকে সপরিবারেই এখানে এসে উপস্থিত হলেন তাঁরা৷ ট্রুডো এবং তাঁর ছেলে যেখানে লাল রংয়ের কুর্তা পরেছিলেন, সেখানে তাঁর স্ত্রী এবং কন্যা পরেছিলেন হলুদ রংয়ের কুর্তি৷

পড়ুন: জোর ধাক্কা! বিজেপি ছাড়লেন কয়েক হাজার নেতা-কর্মী

আশ্রমে বৈষ্ণব জনতো ভজন শোনেন তাঁরা৷ গান্ধীজির হৃদয় কুঞ্জ ঘরে চরকাও কাটেন তাঁরা৷ পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ট্রুডো জিজ্ঞেস করেন- কেম ছো? অর্থাৎ, কেমন আছেন৷ সমগ্র আশ্রম পরিদর্শন করে আশ্রমের ভিজিটর বুকে এই স্থানের প্রশংসাও করেন৷ এখান থেকে ট্রুডো অক্ষরধামে স্বামীনারায়ণ মন্দিরে পৌঁছন৷ এরপরে আমেদাবাদে আইআইএমে ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানির সঙ্গে সাক্ষায করতে সন্ধেবেলা মুম্বই রওনা হওয়ার কথা তাঁর৷

পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

এর আগে ট্রুডো রবিবার সপরিবারে তাজমহল দেখতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়৷ তিনি জানান, এই সফর তাঁকে তাঁর পিতার সঙ্গে আসা ১৯৮৩সালের কথা মনে করিয়ে দেয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।