টরেন্টো : নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট মসনদে বসেই শরণার্থীদের পথ বন্ধ করেছিলেন । তবে সেই পথ খোলা রাখলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সাতটি দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যে নির্বাহী আদেশ দিয়েছেন পরোক্ষভাবে তার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন ট্রুডো।

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুক্রবার ঘোষণা করেন ৯০ দিনের জন্য ইরান, ইরাক, সিরিয়া, সুদান, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সোমালিয়ার নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং ১২০ দিনের জন্য সব ধরনের শরণার্থীর প্রবেশাধিকার স্থগিত করা হয়। তবে, সিরিয়ার শরণার্থীদের ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ আমেরিকায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের নীতির মৌন বিরোধিতার কথা জানিয়ে ট্রুডো গতকাল তার টুইটার পেইজে লিখেছেন, “নিপীড়ন, সন্ত্রাস ও যুদ্ধ থেকে যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, আপনাদের ধর্মবিশ্বাস বিবেচনা না করেই কানাডার মানুষ আপনাদের স্বাগত জানাবে। বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তি। কানাডায় স্বাগত।” ২০১৫ সালের শেষ দিকে টরেন্টো বিমানবন্দরে সিরিয়ার একটি শিশুকে অভিবাদন জানানোর নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।