ওটাওয়া : মিলল করোনার ভ্যাকসিনে ছাড়পত্র। কানাডার প্রশাসন জানিয়েছে জরুরি অবস্থার প্রেক্ষিতে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। বুধবার এই ঘোষণা করে কানাডা পিফিজার ও বায়োনটেকের ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে বলে খবর।

এক অন্তর্বতীকালীন সিদ্ধান্তের জেরে ভ্যাকসিনকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে জরুরি অবস্থার প্রেক্ষিতেই এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার কথা জানানো হয়েছে। পিফিজার ও বায়োনটেকের ভ্যাকসিন বেশ কার্যকরী ও নিরাপদ একথা প্রমাণিত হয়েছে। এই বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে কানাডার স্বাস্থ্য মন্ত্রক। হেলথ কানাডা এক রিপোর্ট প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই ভ্যাকসিন দেশকে রক্ষা করবে।

১৬ বছরের ওপরের বয়েসীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কানাডার প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অনুমতি পাওয়ার পরেই ভ্যাকসিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বর মাস শেষ হওয়ার আগেই এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু করেদিতে চাইছে কানাডা। সোমবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন পিফিজার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেশে চলে এলেই শুরু হবে ভ্যাকসিনেশন।

দোসরা ডিসেম্বর পিফিজার ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেয় ব্রিটেন। পিফিজার ভ্যাকসিন ল্যাবে ৯৫ শতাংশ কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই ভ্যাকসিন মজুত করার জন্য অতিরিক্ত ঠান্ডা হিমঘরের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে কানাডাকে। প্রাথমিকভাবে ২০ মিলিয়ন ডোজের অর্ডার দিয়েছে এই দেশ। দেশের ১০ মিলিয়ন মানুষ যাতে সবাই এই ভ্যাকসিন পান, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কানাডা সরকার।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়ে ছিলেন স্পুটনিক ভি ৯২ শতাংশ কার্যকরী ভ্যাকসিন প্রমাণিত হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করে সাফল্য আসবে বলে আশাবাদী ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার টাটিয়ানা গোলিকোভা।

গোলিকোভা জানিয়ে ছিলেন ডিসেম্বর মাসেই রাশিয়ায় মাস ভ্যাকসিনেশন শুরু হবে। সেই মতোই কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে, যাতে রাশিয়ায় করোনার সেকেন্ড ওয়েভ ছড়িয়ে না পড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.