নয়াদিল্লি: মোদী সরকারের এক অন্যতম লক্ষ্য কালো টাকা উদ্ধার করে আনা। আর তার হদিশ পেতে সুইস ব্যাংকের প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তি করেছিল ভারত। আগামী বছরের শুরু থেকেই তথ্য লেনদেন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই অবশ্য ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখল সুইজারল্যান্ড। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হল, কোনও ভাবে প্রশাসনিক স্তরে দেওয়া তথ্য প্রকাশ্যে এলে, সঙ্গে সঙ্গেই চুক্তি ভেঙে দেবে সুইস সরকার। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলি থেকে চলতি বছর জুড়ে সমস্ত আমানতকারীর তথ্য জড় করা হচ্ছে।

আগামী বছর থেকেই ভারত সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশকে সেই তথ্য দেওয়াও হবে। তথ্য দেওয়া শুরু করার আগে প্রতিটি দেশে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার কতটা পরিবেশ আছে, প্রথমে তা খতিয়ে দেখবে ‘গ্লোবাল ফোরাম অন ট্রান্সপেরেন্সি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অফ ইনফরমেশন’। সেখানে, নিশ্চয়তা পেলেই শুরু হবে তথ্য দেওয়া।

তথ্য দেওয়ার বিষয়ে সুইজারল্যান্ড সরকার দুটি পদ্ধতির কথা বলে,যার মধ্যে একটি হল ‘অটোমেটিক এক্সচেঞ্জ অফ ইনফরমেশন’ বা সংক্ষেপে এইওআই। সেই পদ্ধতিতে সরাসরি সংগ্রহ করা তথ্য আসে অন্য দেশের কাছে। কালো টাকা উদ্ধারের জন্য সেই ভাবেই তথ্য নেওয়ার কথা বলা হয়। এভাবে তথ্য দেওয়া নেওয়া হলে, কর ফাঁকি দিয়ে সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রাখা আমনতকারীদের বা অর্থ তছরুপে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সহজে প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারবে প্রশাসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.