নয়াদিল্লি: টাকা থেকে কি মারণ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনকে সরাসরি প্রশ্ন কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়ান ট্রেডার্স বা সিএআইটি-র। টাকায় ছড়ায় করোনা, এরকম একটি রিপোর্ট পাওয়ার পরেই আতঙ্ক ছড়ায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের কাছ থেকেই সেই প্রশ্নের উত্তর চাইল সিএআইটি।

সিএআইটি জানতে চায়, যদি টাকা থেকে করোনা ভাইরাস ছড়ায়, তাহলে তা প্রতিরোধের উপায় কি। সেই উপায় কেন্দ্র সরকারকেই বলে দিতে হবে বলে দাবি সিএআইটির। টাকা ছাড়া ব্যবসা সম্ভব নয়, ব্যবসা না হলে দেশের অর্থনীতি ফের ঝিমিয়ে পড়বে, এই পরিস্থিতিতে টাকা লেনদেন সরাসরি না করে কীভাবে বাণিজ্য চালানো সম্ভব, প্রশ্ন সিএআইটির।

সিএআইটি- জাতীয় সভাপতি বিসি ভারটিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল প্রবীণ খান্ডেলওয়াল জানান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই মর্মে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, যে টাকা থেকে করোনা ছড়াতে পারে। শুধু করোনা ভাইরাসই নয়, বেশ কিছু মারণ ভাইরাস ছড়াতে পারে। সেক্ষেত্রে উপায় কি।

উল্লেখ্য, গবেষকরা জানাচ্ছেন, টাকা ব্যবহারের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস মারাত্মক আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। টাকা এক হাত থেকে অন্য হাতে যায়। অনেকেই টাকা গোনেন মুখের থুথু দিয়ে। সেক্ষেত্রে করোনা ভাইরাসের বড় বাহক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে টাকার।

করোনা আতঙ্কে এই বিষয়ে কেন্দ্রকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছে এই সংগঠন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তিনটি প্রতিবেদনকে সঙ্গে রেখে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই সংগঠন জানাচ্ছে ২০১৫ সালে প্রথম উত্তরপ্রদেশের কিং জর্জ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সমীক্ষা হয়। মোট ৯৬টি নোট ও ৪৮টি কয়েন নিয়ে সমীক্ষা হয়। দেখা যায় প্রতিটি নোটে ও প্রতিটি কয়েনে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাক বিদ্যমান।

অন্যদিকে, আরেকটি সমীক্ষা হয় ২০১৬ সালে। তামিলনাড়ুতে চিকিৎসক, ব্যাংক, বাজার, ছাত্রদের থেকে ও গৃহবধূদের থেকে টাকা সংগ্রহ করা হয়। সেখানেও একই ফলাফল মেলে। ১০০টির মধ্যে ৫৮টিরও বেশি নোটে ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প