ওয়াশিংটন : হাত না ধুয়ে চোখে হাত দেবেন না। বারবার সাবধান করছিলেন গবেষকরা। করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে এভাবেও, সতর্ক করেছিলেন তাঁরা। এবার নয়া সমীক্ষা সেই সতর্কবাণীতেই শিলমোহর দিল। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ অপথ্যালমোলজির গবেষকরা জানাচ্ছেন চোখের জল থেকে ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস।

যদি কোনও করোনা আক্রান্ত রোগির চোখের জল সুস্থ ব্যক্তির শরীরে লেগে যায়, তবে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা থাকছে। চিকিৎসকরা বলেছিলেন চোখ করোনা সংক্রমণের অন্যতম পথ হতে পারে। বারবার চোখ রগরানো উচিত নয়। বিশেষত হাত না ধুয়ে চোখে হাত দেওয়া সংক্রমণ ঘটাতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। এই সমীক্ষাও সেই তথ্য তুলে ধরছে। কারণ যে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে হাঁচছেন বা কাশছেন, সেই হাত না ধুয়ে চোখে দিলে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তেই পারে। মুখ ঢেকে কাশা, হাঁচি মারা উচিত।

এছাড়াও বারবার হাত ধোওয়া দরকার বলে ফের জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। চোখ থেকে সংক্রমণ রোখার আরও একটি উপায় হল চশমা পড়া। রোদ চশমা বা সাধারণ চশমা পরে থাকলে চোখে হাত যাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে সংক্রমণও কম ছড়াবে। তবে ইউএস সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের গবেষকরা বলছে কান থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা অনেক কম। কানের বাইরে ত্বক সাধারণ শরীরের ত্বকের মতই।

মুখগহ্বর, নাকের টিস্যুর মত নরম নয়। ফলে এটি করোনা বাইরাসের বাহক নয়। আগে বলা হচ্ছিল, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টই এই প্রাণঘাতী রোগের উপসর্গ। কিন্তু সকলের উপসর্গই এক রকমের নয়। কোভিড ১৯ এ আক্রান্তের নানা রকমের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সামান্য থেকে সাংঘাতিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ২ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গগুলি দেখা দিতে পারে। এ

ক্সপ্রেস. কো. ইউকের একটি রিপোর্ট বলছে কোনও ব্যক্তির করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে তা জানা যাবে আরও একটি অংশে ব্যথার লক্ষ্মণ দিয়ে। কবজির ব্যথার কথা এক্ষেত্রে বলছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন কবজিতে আচমকা ব্যথা হলে বা অস্বস্তিকর অনুভূতি হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন দ্রুত।

কারণ এটি করোনা সংক্রমণের উপসর্গ হতে পারে। প্রথমের দিকে বলা হচ্ছিল নাক দিয়ে অনবরত জল পড়া ও হাঁচিও এর উপসর্গ। কিন্তু জানা যাচ্ছে হাঁচিকে এখনও করোনার উপসর্গ বলা যাচ্ছে না এবং নাক দিয়ে জল পড়া খুব কম রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV