মুম্বই:  বেআইনি ভাবে দলের প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করছে বিজেপি বম্বে হাইকোর্টে এই মর্মেই দায়ের করা হল জনস্বার্থ মামলা৷

ওই পিটিশনে বলা হয়েছে, পদ্ম জাতীয় ফুল৷ কিন্তু তাকে ভোট পাওয়ার জন্য ব্যবহার করে ১৯৫০ সালের প্রতীক ও নাম (অপব্যবহার রোধ) আইন লঙ্ঘন করছে বিজেপি৷ গেরুয়া দলের বিরুদ্ধে এই পিটিশন দাখিল করেছেন হেমন্ত পাতিল নামে এক সমাজকর্মী৷ তাঁর দাবি, বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক হিসাবে পদ্মফুল বাতিল করার নির্দেশ দিক আদালত৷

বম্বে হাইকোর্টে দাখিল করা পিটিশনে বলা হয়েছে, পদ্ম শুধু জাতীয় ফুলই নয়, এটি একটি পবিত্র ফুল৷ প্রাচীন ভারতের শিল্প ও পুরাকাহিনিতে তার আলাদা জায়গা আছে৷দেবী লক্ষ্মীর ফুল পদ্ম৷সম্পদ, সমৃদ্ধ, উর্বরতা, শুদ্ধতা, সাফল্য ও সৌভাগ্যের প্রতীক এই ফুলকে তাই কোনও দলের প্রতীক চিহ্ন হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না৷ভোটের জন্য কোনও দলই এই ফুল ব্যবহার করতে পারে না৷

আগামী দিন বিজেপি দলীয় প্রতীক হিসাবে পদ্মফুল ব্যবহার করতে পারবে কিনা, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বম্বে হাইকোর্ট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।