নয়াদিল্লি: আর্থিক তছরূপ, অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি আজকের দিনে প্রায় একটা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা তে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই তালিকায় যদি আপনি পড়েন তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা ভাবতে পারছেন। মাসের পর মাস পরিশ্রম করে জমানো টাকা যদি চুরি হয়ে যায় ভেবেই গলা শুকিয়ে যায় একটা আতঙ্কে।

বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রেই আধার লিঙ্ক করাতে হয়। এমনকি ব্যাংকের পরিষেবার ক্ষেত্রেও আধার সংযোগ বাধ্যতামুলক। এমন ক্ষেত্রে অনেকের মনেই খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্নটা আছে যদি কোন তৃতীয় ব্যাক্তি আপনার আধার কার্ডের নম্বর বা আধার কার্ডটা কোনভাবে পায় তাহলে কি ব্যাংকের থেকে টাকা তোলা সম্ভব?

ইউআইডিএআই এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে গেলে যেরকম সই, ওটিপি, মোবাইল নম্বর দরকার পড়ে সেরকমই আধার নম্বর ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ওটিপি আইআরআইএস এবং মোবাইল নম্বরের প্রয়োজন হবে যা আধার নথিভুক্তকরনের সময় দেওয়া হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত আধার নম্বর নিয়ে কোনরকম কারচুপির কথা সামনে আসে নি বলে জানানো হয় সেই রিপোর্টে।

বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই ৩ কোটি করে আধার সংযোগ করা হয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে এবং তথ্য অনুযায়ী বিগত ৮ বছরে প্রায় ৩,০১২.৫ কোটি আধার সংযুক্তকরন সফল ভাবে করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এবং আরও জানানো হয় আধার সংক্রান্ত যে সকল বায়োমেট্রিক ডাটা গ্রহন করা হয়েছে তা কোন ভাবেই চুরি হওয়ার বা নষ্ট হওয়ার কোন সম্ভবনা নেই।

২০১৬ আধার আইন অনুযায়ী মানুষজন স্বছন্দে পরিচয়পত্র হিসেবে আধার ব্যবহার করতে পারে তা আগেই জানানো হয়েছিল এবং যে কোন ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে পরিচয়পত্র হিসেবেও।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও