তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা এখন সময়ের অপেক্ষা। আর তার আগেই দক্ষিণের জেলা বাঁকুড়ায় ভোটের উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।

একদিকে রাজ্যের শাসক তৃণমূল, অন্যদিকে কেন্দ্রের শাসক বিজেপি যুযুধান এই দুই গোষ্ঠীই জেলায় প্রচারে কেউ কাওকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ। জেলা শহরের অদূরে পুয়াবাগান এলাকায় এমন ছবিই ধরা পড়ল কলকাতা ২৪x৭ এর ক্যামেরায়।

আরও পড়ুন- আজ বিকেলেই লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা করবে কমিশন

প্রার্থীর নাম ছাড়াই একদিকে তৃণমূল, অন্যদিকে বিজেপি দুই পক্ষই আম জনতার দেওয়াল দখলে নেমেছে। সংশ্লিষ্ট দেওয়াল মালিকের অনুমতি নিয়েই প্রার্থীর নামের জায়গা ফাঁকা রেখেই ওই দেওয়ালে দলীয় প্রতীকের ছবি এঁকে তাদের ভোট দেওয়ার আবেদন রাখছেন। বিজেপি কর্মীরা যখন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রে স্বচ্ছ ও সাহসী সরকারের দাবির পাশাপাশি উন্নয়ন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে দেওয়াল লিখছেন।

তখন অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীরা রাজ্যের ৪২ কেন্দ্রেই দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই ভোট যুদ্ধে নামতে চান। কেন্দ্রের ‘যুদ্ধবাজ’ আর ‘রাফাল কেলেঙ্কারি’তে মোদী সরকারকে অভিযুক্ত করে ভোট ঘোষণার আগেই প্রাথমিক প্রচার শেষ করে রাখতে চাইছেন তাঁরা।

পুয়াবাগান এলাকায় দেওয়াল লিখনের ফাঁকে বিজেপির সৌগত পতি বলেন, কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার পুনপ্রতিষ্ঠা এখন সময়ের অপেক্ষা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে নরেন্দ্র মোদীকে সর্বাধিক আসন উপহার দিতে তারা বদ্ধপরিকর। সেকারণেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই ও উন্নয়নকে হাতিয়ার করে জেলা জুড়ে দেওয়াল লিখন সহ অন্যান্য মাধ্যমে তারা ভোট প্রচার শুরু করে দিয়েছেন বলে জানান।

তৃণমূলের মধুসূদন ডাঙ্গর বলেন, আমাদের জেলায় দলের তরফে যিনিই প্রার্থী হন তাঁকেই স্বাগত। দেশ দখলের লড়াইয়ে রাজ্যের ৪২ কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী ধরে তারা প্রচার শুরু করেছেন বলে জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।