নয়াদিল্লি: বন্যজীবন গবেষণা প্রকল্পগুলি, বিশেষত যে সব সংস্থা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের নিয়ে কাজ করে তাদের কাছে সময় এবং সংস্থান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চিতাবাঘের মতো বড় মাংসাশী প্রাণীর ক্ষেত্রে হোম রেঞ্জ থাকে কয়েক বর্গকিলোমিটার জুড়ে। তাদের সংখ্যা বোঝার জন্য ভালো সমীক্ষার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে কোনও ভুল না করে নির্দিষ্ট এলাকার প্রাণীদের তথ্য জোগাড় করতে হবে। কার্যকারিতা বাড়েতে গবেষকরা তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে নতুন নতুন কৌশলগুলি ক্রমাগত তৈরি করছেন। এইসব ক্ষেত্রে, ক্যামেরা কাজগুলিকে অনেক সহজ করে তোলে।

নেচার কনজারভেশন ফাউন্ডেশনের সঞ্জয় গুব্বির টিম গত এক দশক ধরে কর্ণাটকের জঙ্গলে চিতাবাঘ এবং তাদের শিকার সম্পর্কে গবেষণা করছে। বলা বহুল্য এক্ষেত্রে ক্যামেরার তাদের কাছে অপরিহার্য অঙ্গ। যদিও ক্যামেরার ফাঁদ নতুন নয়। কিছু রেকর্ড অনুসারে, ক্যামেরার এই সংস্করণগুলি ১৮৯০ এর শেষের দিকে বা ১৯০০ এর গোড়ার দিকে প্রচলন শুরু হয়। এগুলি আধুনিকীকরণ হওয়ার পর ব্যাটারি চালিত এবং মোশন ট্রিগারড হয়ে যায়। এক্ষেত্রে যখন কোনও মানুষ বা প্রাণী আলো বিকিরণ করে হয় তখন তাদের ছবি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। যদিও অনেক সময়ই দেখা যায় পোকামাকড় এবং ঝরে পড়া পাতার ছবিও তুলে ফেলে এই ক্যামেরা।

এই ক্যামেরার সাহায্যে আমরা দুধরনের ছবি পেতে পারি। একটি হল ‘ফলস ট্রিগার’। অন্যটি হল কাজের ছবি। গুব্বির টিম সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ লক্ষ ফটোগ্রাফ সংগ্রহ করেছে, সাজিয়েছে এবং বিশ্লেষণ করেছে। এই সব কাজ আগে ম্য়ানুয়ালি হত। কিন্তু এখন সফটওয়্যারের সাহায্যে তা আরও তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হয়। প্রায় তিন লক্ষ ছবি তারা তুলেছে। তার মধ্যে প্রায় ৯৯% ছিল মানুষ, বিভিন্ন প্রজাতির ছবি। কিন্ত এর মধ্যে ৯৪% বেশ মজাদার। এর মধ্যে বেশ কিছু সেলফি ও আকর্ষণীয় ছবি রয়েছে। এগুলিতে রয়েছে প্রাণীদের মজাদার আচরণ, পোজ, নাচ ইত্যাদি। এখানকার বেশিরভাগ ছবিই রাতে তোলা। বস্তুত এই ধরনের ক্যামেরা প্রাণীদের গোপন জীবন তুলে এনেছে মানুষের সম্মুখে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।