স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নিরাপত্তার দাবিতে রাজ্যজুড়ে চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি৷ যার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়৷ সেই মামলার শুনানিতে আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের পাশেই দাঁড়াল আদালত৷ এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছেই জবাব চাইল কলকাতা হাইকোর্ট৷

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণন জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বলেন, এদনই চিকিৎসকদের বয়কট তুলতে কোনো অন্তর্বর্তী আদেশ দেবে না হাইকোর্ট। এরপরই সরাসরি রাজ্য সরকারের কৌশলীকে প্রশ্ন করে প্রধান বিচাপতি জানতে চান, চিকিৎসক মার খাওয়ার প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা করেছে রাজ্য? গ্রেফতারের পরেও বয়কট উঠল না৷ কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার?

আরও পড়ুন: এনআরএস-কাণ্ডে মমতার বিরুদ্ধে সরব পাকিস্তানের চিকিৎসকরাও

এদিন প্রধান বিচাপতি বলেন, ডাক্তারদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই কর্মবিরতিও সাধারণ মানুষের পক্ষে সুখকর নয়৷ তাই আদালতের তোলা সব প্রশ্নই আগামী সপ্তাহের মধ্যেই অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছে জানতে চায় আদালত৷

আরও পড়ুন: শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশেই ১৭ জুন হাসপাতাল ধর্মঘটের ডাক দিল আইএমএ

নিরাপত্তার অভাব৷ এই অবিযোগে গত মঙ্গলবার সকাল থেকেই কর্মবিরতিতে এনআরএস-এর জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ তাদের পাশে দাঁড়িয়ে একই ইস্যুতে কর্মবিরতিতে রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের চিকিৎসকরা৷ আন্দোলের প্রভাব পড়েছে সর্বভারতীয়স্তরে৷ দিল্লির এইমস, বেঙ্গালুরু সহ নানা শহরের কোথাউ কালো ব্যাজ পড়ে আবার কোথাও কর্মবিরতির মাধ্যমে সহমর্মিতা জানায়৷ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরাও গণ-ইস্তফা দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির মুখেও অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আবেদন জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরাও৷ এই পরিস্থিতিতে হাইকোর্টের এদিনের রায়ে তাদের কাছে অক্সিজেন বলে দাবি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের৷