স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বড়সড় স্বস্তি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের জন্য়৷ ‘গুমনামী’ ছবিটিকে ক্লিনচিট দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ এর ফলে ফিল্ম রিলিজে আর কোনো বাধা রইল না৷

বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার মামলাকারীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। বুধবার বিচারপতি বলেন যেখানে নেতাজী কিভাবে মারা গেছিলেন সেই ইতিহাস কারো জানা নেই, তাহলে কিভাবে তা বিকৃত করা হচ্ছে বলা যায়?

এদিন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয় সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র মিলেছে৷ মামলাকারী নিজে গবেষণা করছেন৷ তাঁর আগ্রহ থাকলেও, জনস্বার্থ মামলার দাবি ধোপে টেঁকেনা।

আরও পড়ুন : ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে বিক্রম, খুঁজে পেল না নাসাও

এই ছবি নিয়ে একের পরে এক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সৃজিতের বিরুদ্ধে নেতাজির জীবন ও কাজকে অবমাননা করার অভিযোগ এসেছে বসু পরিবারের কয়েকজন সদস্য়ের তরফ থেকে।

এর আগে, কলকাতা ২৪x৭-এর পক্ষ থেকে পরিচালক সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এক বছর আগে যখন ছবিটি করব বলে ঠিক করি, তখন ভেবেছিলান কোনানড্রাম-এর উপরেই ছবিটি করব। তার পরে কোনানড্রাম ও অন্যান্য কিছু বই পড়ার পরে আমার মনে হয়েছে একটি নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম অর্থাৎ মুখার্জি কমিশনের তথ্যের ভিত্তিতে ছবিটি করা উচিত। ছবির স্ক্রিপ্ট লেখার আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন এর পরে জুনে ছবির শ্যুটিং হয়। অর্থাৎ ওঁরা হয়তো জানেন না, যে ছবি অতগুলো লোকেশনে শ্যুট করা হয়ে গিয়েছে সেগুলির স্ক্রিনপ্লে মুহূর্তে বদলে ফেলা সম্ভব নয়। ওঁদের ছবি সম্পর্কে ধারণা কম। ওঁদের কাছে বিষয়টি আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো। কিন্তু সেটা তো আসলে নয়! এই বিষয়টি আমার কাছে হাস্যকর লেগেছে। শুধু আমার নয়। বসু পরিবারের জয়ন্তী রক্ষিত, সুনীল কুমার বসু, আর্যকুমার বসু-সহ আরও অনেকেরই লেগেছে।”

এত বিতর্কের মধ্যেও ছবির প্রচার চলছে। আগামী ২ অক্টোবর মুক্তি পাবে ‘গুমনামী’। ছবিতে নেতাজির চরিত্রে দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে এবং অনুজ ধরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য।