নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বুধবার IDBI ব্যাঙ্কের পুরো অংশ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। অর্থনীতি বিষয়ক কমিটি (Cabinet Committee on Economic Affairs) মন্ত্রী পরিষদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জনিয়েছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও (Nirmala Sitaraman) তার বাজেট বক্তৃতায় এই ব্যাঙ্কের কথা উল্লেখ করেছিলেন। এমনকি বিক্রি করার কথাও বলেছিলেন। আইডিবিআই ব্যাঙ্ককে সঙ্কট থেকে মুক্ত করতে ভারতীয় জীবন বীমা কর্পোরেশন (Life Insurance Co-operantion of India) এবং সরকার ইক্যুইটি ক্যাপিটাল আকারে ৯,৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।এখন এলআইসির হাতে এই ব্যাঙ্কের সম্পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।

আইডিবিআই একটি সরকারী ব্যাঙ্ক ছিল, যা ১৯৬৪ সালে দেশে গঠিত হয়েছিল। এলআইসি ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে IDBI ব্যাঙ্কের ৫১ শতাংশ শেয়ার কিনেছিল।এর পরে এলআইসি ও সরকার মিলে আইডিবিআই ব্যাঙ্কে ৯৩০০ কোটি টাকা দিয়েছে। আইডিবিআই ব্যাঙ্কে সরকারের প্রায় ৪৫.৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে |LIC তাদের শেয়ার বিক্রি করলে এটি একটি বেসরকারী ব্যাঙ্কে পরিণত হবে।

CCEA সভায় আইডিবিআই ব্যাঙ্কের কৌশলগত অংশ বিক্রয় ও ম্যানেজমেন্টের সমস্ত নিয়ন্ত্রণ স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে সরকারের ৪৫.৪৮ শতাংশ এবং এলআইসির হাতে রয়েছে ৪৯.২৪ শতাংশ। এলআইসি বোর্ড ইতিমধ্যে ব্যাঙ্কের শেয়ার কমাতে অনুমোদন দিয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে নির্মলা সীতারমণ আইডিবিআই ব্যাঙ্কের শেয়ার বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এর পরে, ১০ মার্চ, রিজার্ভ ব্যাংক প্রম্পট কারেকটিভ অ্যাকশন (Prompt Corrective Action ) কাঠামো থেকে IDBI-কে বাদ দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এর ফলে কর্মচারী এবং গ্রাহকদের উপর কোনও প্রভাব পড়বে না। কর্মীদের চাকরি আগের মতোই থাকবে। সমস্ত গ্রাহকরা আগের মতোই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আইডিবিআই ব্যাঙ্ক পাঁচ বছর পর আবার লাভজনক সংস্থায় পরিণত হয়েছে। ২০২১সালের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া আর্থিক বছরে, ব্যাঙ্কটি এক হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা লাভ করেছে। এক আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থবছরে লোকসান হয়েছিল ১২,৮৮৭ কোটি টাকা। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ ব্যাঙ্কের গ্রস NPA ২২.৩৭ শতাংশে বেড়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.