নয়াদিল্লি: ২০২২ সালের মধ্যে টেলিকম সেক্টরে লক্ষ লক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরি হবে৷ বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা জাতীয় টেলিকম নীতিকে সবুজ সঙ্কেত দেয়৷ এর অর্থ, টেলিকম সেক্টরে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে৷ লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে৷ মন্ত্রিসভার এক সদস্য জানান, এর ফলে আগামী চার বছরে ৪০ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে৷

প্রবল ঋণে জর্জরিত টেলিকম সেক্টরকে চাঙা করতে “ন্যাশনাল ডিজিট্যাল কমিউনিকেশন পলিসি ২০১৮” খসড়া তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার৷ খসড়ায় বলা হয়েছে, ব্রডব্যান্ড পরিষেবার স্পীড বাড়াতে হবে,আরও চাকরির সুযোগ তৈরি করতে হবে, লাইসেন্স ফি, স্পেকট্রাম ইউসেজ চার্জ-সহ বেশ কয়েকটি চার্জের পরিবর্তনও করা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশে ডিজিট্যাল বিপ্লব আনতে কেন্দ্রীয় সরকার ওই খসড়া তৈরি করে।

কেন্দ্রীয় সরকারের এক উচ্চ প্রশাসনিক কর্তা জানিয়েছেন, এর ফলে আগামী চার বছরে এই সেক্টরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ আসবে৷ ফলে ৪০ লক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরি হবে৷ শুধু তাই নয়, নয়া পলিসিতে জোর দেওয়া হয়েছে ব্রডব্যান্ড পরিষেবার মান উন্নয়নেও৷ প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যাতে প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মেগাবিট স্পীডের ব্রন্ডব্যান্ড পরিষেবা পায় তা সুনিশ্চিত করা হয়েছে এই পলিসিতে৷

ওই খসড়ায় এও উল্লেখ করা হয়েছিল যে, সকলের জন্য ২০২২ সালের মধ্যেই হাই স্পীড ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করা হবে। এর ফলে চাকরির যে বাজার তৈরি হবে তা দেশের মোট জিডিপির চার শতাংশের সমান হবে। ২০১৭ সালে সংখ্যাটা ছিল ৬ শতাংশ।